ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ফিরতি যাত্রায় ভাড়ায় নৈরাজ্যর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 216

ছবি: সংগৃহীত

 

ঈদ-পরবর্তী সময় রাজধানীতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর সক্রিয় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বিএনএস সেন্টারের পাশে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ও ট্রাফিক পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, পালালো ডাকাত দল

অভিযানে হেলমেট ও লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এ প্রয়াস।”

এদিকে একই রাতে রাজধানীর শ্যামপুরের দয়াগঞ্জ এলাকায় যৌথ বাহিনী মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানা বিএনপির কার্যকরী সদস্য শুক্কুর আলীসহ চারজনকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকারীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিত এ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা, ৩ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ৬০ হাজার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুক্কুর আলীর সঙ্গে আরও তিন সহযোগী ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক নির্মূলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ধরনের অভিযান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিরতি যাত্রায় ভাড়ায় নৈরাজ্যর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী

আপডেট সময় ১১:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

ঈদ-পরবর্তী সময় রাজধানীতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর সক্রিয় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বিএনএস সেন্টারের পাশে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ও ট্রাফিক পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ।

আরও পড়ুন  সেনবাগে খালের উপর জবরদখল করে ব্রীজ ও  নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

অভিযানে হেলমেট ও লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এ প্রয়াস।”

এদিকে একই রাতে রাজধানীর শ্যামপুরের দয়াগঞ্জ এলাকায় যৌথ বাহিনী মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানা বিএনপির কার্যকরী সদস্য শুক্কুর আলীসহ চারজনকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকারীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিত এ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা, ৩ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ৬০ হাজার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুক্কুর আলীর সঙ্গে আরও তিন সহযোগী ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক নির্মূলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ধরনের অভিযান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।