ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহায়তা চায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু পাওনা টাকার বিরোধে চট্টগ্রামে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন

ঈদের পর দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সচিবালয় কর্মচারীদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 165

ছবি সংগৃহীত

 

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা। সোমবার (২ জুন) সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি দেন ফোরামের নেতারা। তবে ওই সময় দুই উপদেষ্টাই দপ্তরে অনুপস্থিত ছিলেন।

নেতারা জানান, আগামীকাল (মঙ্গলবার) অর্থ উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হবে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “এই অধ্যাদেশ যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে ঈদুল আজহার পর আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব। শুধু সচিবালয় নয়, সারাদেশের ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

আরও পড়ুন  'আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না'

সমাবেশে ফোরামের নেতারা বলেন, এই অধ্যাদেশ কোনোভাবেই কর্মচারীবান্ধব নয় এবং এতে দুর্নীতি, ঘুষ, মানিলন্ডারিং বা নারী অধিকার নিয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। তারা প্রশ্ন তোলেন “দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষা করা নাকি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষা করাই সরকারের উদ্দেশ্য?”

এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি মেনে নেওয়া হলেও ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর যৌক্তিক দাবির প্রতি সরকার উদাসীন।” তারা বলেন, “আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত ও স্বার্থের প্রতিফলন থাকা উচিত। সবাইকে নিয়ে যে আইন করা হবে, তা যেন সবার জন্য সহনশীল হয়।”

ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই আন্দোলনের সঙ্গে বাজেট বা কোরবানির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ঈদের আগে কোনো কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে ঈদের পর দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হবে।”

অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ও অধ্যাদেশ বাতিলের আহ্বান জানান বক্তারা। আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী হবে তা নির্ভর করছে সরকারের অবস্থানের ওপর।

এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারি কর্মচারীরা জানান, আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদের পর দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সচিবালয় কর্মচারীদের

আপডেট সময় ০৭:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতারা। সোমবার (২ জুন) সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি দেন ফোরামের নেতারা। তবে ওই সময় দুই উপদেষ্টাই দপ্তরে অনুপস্থিত ছিলেন।

নেতারা জানান, আগামীকাল (মঙ্গলবার) অর্থ উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হবে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “এই অধ্যাদেশ যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে ঈদুল আজহার পর আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব। শুধু সচিবালয় নয়, সারাদেশের ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

আরও পড়ুন  সরকারি চাকরি নিশ্চয়তা দিতে চাই তরুণদের জন্য” – ডা. শফিকুর রহমান

সমাবেশে ফোরামের নেতারা বলেন, এই অধ্যাদেশ কোনোভাবেই কর্মচারীবান্ধব নয় এবং এতে দুর্নীতি, ঘুষ, মানিলন্ডারিং বা নারী অধিকার নিয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। তারা প্রশ্ন তোলেন “দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষা করা নাকি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষা করাই সরকারের উদ্দেশ্য?”

এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি মেনে নেওয়া হলেও ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর যৌক্তিক দাবির প্রতি সরকার উদাসীন।” তারা বলেন, “আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত ও স্বার্থের প্রতিফলন থাকা উচিত। সবাইকে নিয়ে যে আইন করা হবে, তা যেন সবার জন্য সহনশীল হয়।”

ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই আন্দোলনের সঙ্গে বাজেট বা কোরবানির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ঈদের আগে কোনো কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে ঈদের পর দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হবে।”

অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ও অধ্যাদেশ বাতিলের আহ্বান জানান বক্তারা। আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী হবে তা নির্ভর করছে সরকারের অবস্থানের ওপর।

এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারি কর্মচারীরা জানান, আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।