ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / 214

ছবি: সংগৃহীত

 

রাজধানীর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার ঘটনায় আলোচিত দুই তরুণীর একজন, ফারিয়া হক তিনাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৮ মে) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর নর্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (০৯ মে) সকালে ঢাকা মেইলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বনানী থানার অপারেশন কর্মকর্তা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মঈন উদ্দিন। তিনি জানান, আলোচিত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ছাত্রীয়ের মধ্যে ফারিয়া হক তিনা একজন, এবং অপর ছাত্রীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  যুবদল কর্মী হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বাতিল

এদিকে, গত ২৩ এপ্রিল প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার এক নম্বর আসামী মেহরাজকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এর আগে, রাজধানীর মহাখালী থেকে গ্রেফতার করা হয় কামাল হোসেন, আলভী হোসেন জুনায়েদ ও আল আমিন সানিকে। পরে গ্রেফতার হন আরেক আসামী হৃদয় মিয়াজি, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম সদস্য সচিব।

গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির কারণে প্রাইম এশিয়ার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পারভেজের বাগবিতণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনা পরে মীমাংসা করা হয়। তবে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় পারভেজকে ৩০ থেকে ৪০ জন ঘেরাও করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন, ২০ এপ্রিল, পারভেজের ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ও ইংরেজি বিভাগের তিন ছাত্র মাহাথি, মেহেরাব, আবুজর গিফারীসহ মোট আটজনকে আসামী করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

 

রাজধানীর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার ঘটনায় আলোচিত দুই তরুণীর একজন, ফারিয়া হক তিনাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৮ মে) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর নর্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (০৯ মে) সকালে ঢাকা মেইলকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বনানী থানার অপারেশন কর্মকর্তা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মঈন উদ্দিন। তিনি জানান, আলোচিত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ছাত্রীয়ের মধ্যে ফারিয়া হক তিনা একজন, এবং অপর ছাত্রীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  যুবদল কর্মী হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বাতিল

এদিকে, গত ২৩ এপ্রিল প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যার এক নম্বর আসামী মেহরাজকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এর আগে, রাজধানীর মহাখালী থেকে গ্রেফতার করা হয় কামাল হোসেন, আলভী হোসেন জুনায়েদ ও আল আমিন সানিকে। পরে গ্রেফতার হন আরেক আসামী হৃদয় মিয়াজি, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম সদস্য সচিব।

গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির কারণে প্রাইম এশিয়ার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পারভেজের বাগবিতণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনা পরে মীমাংসা করা হয়। তবে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় পারভেজকে ৩০ থেকে ৪০ জন ঘেরাও করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন, ২০ এপ্রিল, পারভেজের ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ও ইংরেজি বিভাগের তিন ছাত্র মাহাথি, মেহেরাব, আবুজর গিফারীসহ মোট আটজনকে আসামী করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।