ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

বায়োমেট্রিক সম্পন্নের পর দ্রুত মিলবে তারেক রহমানের এনআইডি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 248

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে সর্বোচ্চ একদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন এনআইডি শাখার মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর। আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ স্ক্যান ও অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়ার পর নির্ধারিত সফটওয়্যার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এনআইডি নম্বর তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনের নিবন্ধন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য দেন এনআইডি উইংয়ের ডিজি। তিনি বলেন,

আরও পড়ুন  আনসার-ভিডিপি ও ব্র্যাক ব্যাংকের এনআইডি সেবা সাময়িক বন্ধ করলো ইসি

বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ শেষ হওয়ার পর সাধারণত ৭ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি নম্বর তৈরি হয়ে যায়। তবে এটি নির্দিষ্ট করে আগে থেকে বলা সম্ভব নয়, কারণ পুরো প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

হুমায়ুন কবীর আরও জানান, আবেদনকারীর তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের পর সেগুলো কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে আপলোড করা হয়। এরপর এনআইডি নম্বর জেনারেট হতে কিছুটা সময় লাগে, যা ব্যক্তিভেদে কমবেশি হতে পারে। এতে কোনো মানবিক হস্তক্ষেপ নেই, সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় কাজটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের সময় তারেক রহমান কারাবন্দি ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে চলে যান। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকায় তিনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি এবং এনআইডি বা স্মার্টকার্ড কোনোটিই পাননি।

সম্প্রতি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারেক রহমান। সে কারণে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক। দেশে ফিরে তিনি সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হন।

এনআইডি শাখা সূত্র জানায়, তারেক রহমানের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি প্রদান প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে বগুড়া-৬ আসনের জন্য তার নামে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর ২২ ডিসেম্বর বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে। সেদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য

সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, দেশে ফেরার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

বায়োমেট্রিক সম্পন্নের পর দ্রুত মিলবে তারেক রহমানের এনআইডি

আপডেট সময় ০৪:১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে সর্বোচ্চ একদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন এনআইডি শাখার মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর। আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ স্ক্যান ও অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়ার পর নির্ধারিত সফটওয়্যার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এনআইডি নম্বর তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনের নিবন্ধন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য দেন এনআইডি উইংয়ের ডিজি। তিনি বলেন,

আরও পড়ুন  সুযোগ পেলে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বিএনপি: তারেক রহমান

বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ শেষ হওয়ার পর সাধারণত ৭ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি নম্বর তৈরি হয়ে যায়। তবে এটি নির্দিষ্ট করে আগে থেকে বলা সম্ভব নয়, কারণ পুরো প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

হুমায়ুন কবীর আরও জানান, আবেদনকারীর তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের পর সেগুলো কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে আপলোড করা হয়। এরপর এনআইডি নম্বর জেনারেট হতে কিছুটা সময় লাগে, যা ব্যক্তিভেদে কমবেশি হতে পারে। এতে কোনো মানবিক হস্তক্ষেপ নেই, সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় কাজটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের সময় তারেক রহমান কারাবন্দি ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে চলে যান। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকায় তিনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি এবং এনআইডি বা স্মার্টকার্ড কোনোটিই পাননি।

সম্প্রতি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারেক রহমান। সে কারণে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক। দেশে ফিরে তিনি সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হন।

এনআইডি শাখা সূত্র জানায়, তারেক রহমানের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি প্রদান প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে বগুড়া-৬ আসনের জন্য তার নামে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর ২২ ডিসেম্বর বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে। সেদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য

সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, দেশে ফেরার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।