ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলছে শাহবাগ ব্লকেড, রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি তীব্রতর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 155

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় আজ শনিবার সকালেও অবরুদ্ধ রয়েছে। ‘শাহবাগ ব্লকেড’ নামে চলমান এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। আন্দোলনকারীরা জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান চলবে।

শাহবাগে উপস্থিত রয়েছেন জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরাও। তাঁদের স্লোগানে মুখরিত শাহবাগ এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। যদিও অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহনগুলো চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগ অপকর্ম করতে চাইলে ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত চারটার দিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে রাজধানী ও সারাদেশে মহাসড়কে ব্লকেড না দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন, “শাহবাগ ছাড়া অন্য কোথাও ব্লকেড নয়। জেলাগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত জমায়েত করুন, সমাবেশ করুন, কিন্তু ব্লকেড খুলে দিন।”

এনসিপি ও সমমনা রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগে রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান ও মিন্টো রোড মোড়ে মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গতকাল সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনের তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলীয় বিচারের বিধান সংযোজন, এবং ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ। এরপর সংগঠনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক সারজিস আলমসহ আরও অনেকেই একই দাবি সম্বলিত পোস্ট দেন।

আজ শনিবার বেলা তিনটায় শাহবাগে গণজমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশের জুলাই অভ্যুত্থানের স্থানগুলোতেও গণজমায়েত কর্মসূচি পালিত হবে।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চলমান থাকবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে সারা দেশের মানুষ আবারও ঢাকামুখী মার্চ শুরু করবে।

রাজধানীর শাহবাগ এখন আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয় অভ্যুত্থান পর্বের ঘোষণা দিয়ে উত্তপ্ত করে তোলা হয়েছে দেশের রাজনীতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলছে শাহবাগ ব্লকেড, রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি তীব্রতর

আপডেট সময় ১০:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় আজ শনিবার সকালেও অবরুদ্ধ রয়েছে। ‘শাহবাগ ব্লকেড’ নামে চলমান এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। আন্দোলনকারীরা জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান চলবে।

শাহবাগে উপস্থিত রয়েছেন জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরাও। তাঁদের স্লোগানে মুখরিত শাহবাগ এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। যদিও অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহনগুলো চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই: হাসনাত আবদুল্লাহ

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত চারটার দিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে রাজধানী ও সারাদেশে মহাসড়কে ব্লকেড না দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন, “শাহবাগ ছাড়া অন্য কোথাও ব্লকেড নয়। জেলাগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত জমায়েত করুন, সমাবেশ করুন, কিন্তু ব্লকেড খুলে দিন।”

এনসিপি ও সমমনা রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগে রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান ও মিন্টো রোড মোড়ে মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গতকাল সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনের তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলীয় বিচারের বিধান সংযোজন, এবং ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ। এরপর সংগঠনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক সারজিস আলমসহ আরও অনেকেই একই দাবি সম্বলিত পোস্ট দেন।

আজ শনিবার বেলা তিনটায় শাহবাগে গণজমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশের জুলাই অভ্যুত্থানের স্থানগুলোতেও গণজমায়েত কর্মসূচি পালিত হবে।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চলমান থাকবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে সারা দেশের মানুষ আবারও ঢাকামুখী মার্চ শুরু করবে।

রাজধানীর শাহবাগ এখন আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয় অভ্যুত্থান পর্বের ঘোষণা দিয়ে উত্তপ্ত করে তোলা হয়েছে দেশের রাজনীতি।