ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কারে গণপরিষদের দাবি, রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • / 145

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার একমাত্র গণপরিষদের মাধ্যমেই করা উচিত, অন্যথায় তা টেকসই হবে না। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন রাষ্ট্রের অঙ্গীকার

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত হয়েছে, তাই এই সময়েই মৌলিক সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে একমত হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংসদে সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করলে তা টেকসই হবে না। এর জন্য গণপরিষদই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। জাতিসংঘ মহাসচিবও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচনকে একটি সংস্কার প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখি। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন ফলপ্রসূ হবে না। সব রাজনৈতিক দলই সংস্কারের বিষয়ে একমত, তবে মতপার্থক্য রয়েছে কোন সংস্কার আগে হবে, কোনটি পরে। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে এই মতপার্থক্য দূর হবে।”

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্পন্ন হবে, তত দ্রুত গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবিধান সংস্কারে গণপরিষদের দাবি, রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার একমাত্র গণপরিষদের মাধ্যমেই করা উচিত, অন্যথায় তা টেকসই হবে না। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  জাতীয় সংবিধানিক কাউন্সিল গঠনে একমত নাগরিক পার্টি, কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য: নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত হয়েছে, তাই এই সময়েই মৌলিক সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে একমত হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংসদে সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করলে তা টেকসই হবে না। এর জন্য গণপরিষদই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। জাতিসংঘ মহাসচিবও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচনকে একটি সংস্কার প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখি। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন ফলপ্রসূ হবে না। সব রাজনৈতিক দলই সংস্কারের বিষয়ে একমত, তবে মতপার্থক্য রয়েছে কোন সংস্কার আগে হবে, কোনটি পরে। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে এই মতপার্থক্য দূর হবে।”

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্পন্ন হবে, তত দ্রুত গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।