ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 139

ছবি: সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে এই কমিশন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন  কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন শূন্য’ তত্ত্ব নিয়ে আজ বিশেষ বক্তৃতা রাখবেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও দুর্নীতিদমনসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য কমিশন গঠিত হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য সুপারিশ প্রদান করবে।

এর আগে বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।

কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে এ কমিশন কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেশবাসীর নজরে থাকবে।