ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তানের শরীর ও মনে মায়ের জিনের প্রভাব কতটুকু ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল জাজিরার সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ নিহত আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ: ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামি ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ রাফিয়া সুলতানা রাফির অকাল প্রয়াণ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান ‘প্রকৃত চুক্তি’ না মানলে ফের যুদ্ধের হুমকি: ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশীয়ার জাহাজ

তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা বিএনপির: ডব্লিউআইওএন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1272

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, আঞ্চলিক কূটনীতি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার পাবে এবং শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদার করা নতুন সরকারের লক্ষ্য। সময় স্বল্পতা থাকলেও আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তরিকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন  দুই দশক পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান

ডব্লিউআইওএন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এ উদ্যোগকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি কাটিয়ে উঠতে নতুন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ফোরাম যেমন সার্ক ও বিমসটেক-কে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াকে একটি কার্যকর সহযোগিতার অঞ্চলে পরিণত করাই তাদের কৌশলগত লক্ষ্য।

এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় তিনি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণ পাঠানো হলে তা প্রতীকী হলেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। নতুন সরকারের প্রথম দিকের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা বিএনপির: ডব্লিউআইওএন

আপডেট সময় ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, আঞ্চলিক কূটনীতি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার পাবে এবং শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদার করা নতুন সরকারের লক্ষ্য। সময় স্বল্পতা থাকলেও আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তরিকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন  দুই দশক পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান

ডব্লিউআইওএন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এ উদ্যোগকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি কাটিয়ে উঠতে নতুন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ফোরাম যেমন সার্ক ও বিমসটেক-কে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াকে একটি কার্যকর সহযোগিতার অঞ্চলে পরিণত করাই তাদের কৌশলগত লক্ষ্য।

এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় তিনি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণ পাঠানো হলে তা প্রতীকী হলেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। নতুন সরকারের প্রথম দিকের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।