ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

শুধু বাহক নয়, মাদকের গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 130

ছবি সংগৃহীত

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভয়াবহ বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত “রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ” বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্র মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই অভিযানের অধিকারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক), প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ।

এছাড়াও সভায় অংশ নেন সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, শরনার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন, জেলা প্রশাসন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অধীনস্থ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য মাদক একটি বড় হুমকি। তিনি আরও বলেন, “জনগণ সচেতন হলে মব ভায়োলেন্স (গণপিটুনি) হবে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। কেউ এমন আচরণ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একই সঙ্গে তিনি চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সভায় বক্তারা মাদক নির্মূল ও ক্যাম্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশজনিত চ্যালেঞ্জ এবং মাদক পাচারের মতো সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং তথ্য আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা শেষে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

শুধু বাহক নয়, মাদকের গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:২৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভয়াবহ বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত “রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ” বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্র মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  হত্যাকারীরা কোথায় জানলে ধরে ফেলতাম : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক), প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ।

এছাড়াও সভায় অংশ নেন সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, শরনার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন, জেলা প্রশাসন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অধীনস্থ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য মাদক একটি বড় হুমকি। তিনি আরও বলেন, “জনগণ সচেতন হলে মব ভায়োলেন্স (গণপিটুনি) হবে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। কেউ এমন আচরণ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একই সঙ্গে তিনি চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সভায় বক্তারা মাদক নির্মূল ও ক্যাম্প ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশজনিত চ্যালেঞ্জ এবং মাদক পাচারের মতো সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং তথ্য আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা শেষে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।