০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে দগ্ধ ৪ সহ আহত ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 88

ছবি সংগৃহীত

 

সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি ভবনের দেয়াল ধসে পড়েছে। এতে চারজন দগ্ধসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মণ্ডল মার্কেটসংলগ্ন বাধিয়ারপাড়ে জুয়েল আহমেদের নির্মিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পুরনো দ্বিতল ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে গ্যাস লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের নিচতলার দেয়াল ধসে পড়ে এবং ঘরে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ছয়জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহানারা (৪০), জুয়েল (২৪), শান্ত (২১), হাওয়া আক্তার (২৩), জহুরুল ইসলাম (২৬) ও নাসির (৩৮)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িটি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এবং মালিক জুয়েল মিয়া বাড়িটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছিলেন। ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, নিচতলার ভাড়াটিয়া জহুরুল ইসলামের কক্ষের গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ ছিল। দরজা-জানালা বন্ধ থাকার কারণে সারারাত গ্যাস ঘরে জমে থাকে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে রান্না শুরু করলে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং দরজা-জানালাও উড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন রশিদ জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার আল রিফাত তালুকদার বলেন, এখানে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেনি। রান্নাঘরের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে দগ্ধ ৪ সহ আহত ৬

আপডেট সময় ১২:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি ভবনের দেয়াল ধসে পড়েছে। এতে চারজন দগ্ধসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মণ্ডল মার্কেটসংলগ্ন বাধিয়ারপাড়ে জুয়েল আহমেদের নির্মিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পুরনো দ্বিতল ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে গ্যাস লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের নিচতলার দেয়াল ধসে পড়ে এবং ঘরে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ছয়জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহানারা (৪০), জুয়েল (২৪), শান্ত (২১), হাওয়া আক্তার (২৩), জহুরুল ইসলাম (২৬) ও নাসির (৩৮)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িটি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এবং মালিক জুয়েল মিয়া বাড়িটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছিলেন। ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা দাবি করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, নিচতলার ভাড়াটিয়া জহুরুল ইসলামের কক্ষের গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ ছিল। দরজা-জানালা বন্ধ থাকার কারণে সারারাত গ্যাস ঘরে জমে থাকে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে রান্না শুরু করলে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং দরজা-জানালাও উড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন রশিদ জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার আল রিফাত তালুকদার বলেন, এখানে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেনি। রান্নাঘরের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।