ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

‘ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো’: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 181

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি বিক্ষোভ করেছেন। তবে এই বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

এই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বুধবার (১১ জুন) দিনগত রাত ১২টা আট মিনিটে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো!” যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তার এ বক্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় হাস্যরস, রাগ ও বিতর্কের ঝড়।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজ গ্রামে লুৎফুজ্জামান বাবর, ভালোবাসায় সিক্ত জনতা

ফেসবুক পোস্টটির নিচে অনেকেই মন্তব্য করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, “আল্লাহ্‌রে আল্লাহ্‌। আপনাদের জন্য আর মন খারাপ করে থাকতেও পারি না। একটু মন খারাপ হয়েছিল। এখন এর মাঝেও হাসছি! কি একটা অবস্থা!”

আরেকজন, সাদিকুর রহমান খান মন্তব্য করেন, “সবচে বড় ব্যাপার, একবার আপনাকে নাস্তিক বলল, আরেকবার বলল টেররিস্ট। মানে গালি কি দিতে হবে, সেইটাও জানে না টোকাইগুলা।”

তবে সবাই যে সমর্থন করেছেন তা নয়। ভিন্নমত পোষণ করে আবু সাইদ আহমেদ নামের একজন লেখেন, “ইউরোপ মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা পঞ্চাশটি। তাই আড়াইটা রাষ্ট্র থেকে একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল—একে আপনার কম মনে হয়!”

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে নানা অভিযোগ ও মন্তব্য সামনে আসছে। তবে রাষ্ট্রীয় সফরে এধরনের প্রবাসী বিক্ষোভ এবং তাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এমন ভাষার ব্যবহার নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার বহির্ভূত।

ফেসবুক পোস্টটি এখনো অনেকে শেয়ার ও আলোচনা করছেন, যা থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সফরের পাশাপাশি ফেসবুক পোস্টটিও হয়ে উঠেছে এক ‘হট টপিক’।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো’: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১০:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি বিক্ষোভ করেছেন। তবে এই বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

এই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বুধবার (১১ জুন) দিনগত রাত ১২টা আট মিনিটে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো!” যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তার এ বক্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় হাস্যরস, রাগ ও বিতর্কের ঝড়।

আরও পড়ুন  প্রত্যন্ত গ্রামেও ছিল আয়নাঘর, সব উদ্ঘাটন করা হবে: প্রেস সচিব

ফেসবুক পোস্টটির নিচে অনেকেই মন্তব্য করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, “আল্লাহ্‌রে আল্লাহ্‌। আপনাদের জন্য আর মন খারাপ করে থাকতেও পারি না। একটু মন খারাপ হয়েছিল। এখন এর মাঝেও হাসছি! কি একটা অবস্থা!”

আরেকজন, সাদিকুর রহমান খান মন্তব্য করেন, “সবচে বড় ব্যাপার, একবার আপনাকে নাস্তিক বলল, আরেকবার বলল টেররিস্ট। মানে গালি কি দিতে হবে, সেইটাও জানে না টোকাইগুলা।”

তবে সবাই যে সমর্থন করেছেন তা নয়। ভিন্নমত পোষণ করে আবু সাইদ আহমেদ নামের একজন লেখেন, “ইউরোপ মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা পঞ্চাশটি। তাই আড়াইটা রাষ্ট্র থেকে একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল—একে আপনার কম মনে হয়!”

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে নানা অভিযোগ ও মন্তব্য সামনে আসছে। তবে রাষ্ট্রীয় সফরে এধরনের প্রবাসী বিক্ষোভ এবং তাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এমন ভাষার ব্যবহার নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার বহির্ভূত।

ফেসবুক পোস্টটি এখনো অনেকে শেয়ার ও আলোচনা করছেন, যা থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সফরের পাশাপাশি ফেসবুক পোস্টটিও হয়ে উঠেছে এক ‘হট টপিক’।