ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খুলনায় ছিনতাইকালে ‘মিসফায়ার’: সহযোগীর গুলিতেই প্রাণ গেল ছিনতাইকারীর ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদি আরবের আহ্বান কঠিন বিষয় এড়িয়ে নয়, ঢাকা-দিল্লির খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন: হাইকমিশনার শেরপুরে আবাসিক এলাকায় তেলের ট্যাংক বানিয়ে ব্যবসা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের হানা চিতলমারীতে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, যুবক নিহত, ১২ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ঈদের ছুটিতেও স্বস্তি নেই শিশু হাসপাতালে, হামের প্রাদুর্ভাবে উপচে পড়া ভিড় পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় জড়িত দুই ‘শুটার’ গ্রেফতার, বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার বড়াইগ্রামে ট্রাক-প্রাইভেট কার মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালক নিহত, আহত ২ ভিয়েতনামকে হারিয়ে স্বর্ণ জিতল বাংলাদেশ বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত, এক বছরে রোজার সওয়াব লাভের সুযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / 18

ছবি সংগৃহীত

 

মহিমান্বিত মাস রমজানের পরই আসে শাওয়াল। পবিত্র রমজানজুড়ে যারা সিয়াম সাধনা করেছেন, তারা শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল রোজা রাখলে সারাবছর রোজা রাখার সওয়াব লাভ করেন। এ ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব।

শাওয়াল মাসের ছয় রোজা রাখার নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে, এগুলো কি একটানা ছয় দিন রাখতে হবে, নাকি মাঝে বিরতি দিয়ে রাখা যাবে।

আরও পড়ুন  শবে বরাত: ফযীলত, বাস্তবতা ও করণীয়

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের ফরজ রোজাগুলো রাখার পর শাওয়াল মাসে আরও ছয়টি রোজা রাখে, সে যেন পুরো এক বছর রোজা রাখল। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬৪)

ফজিলতপূর্ণ এই রোজাগুলো প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক মাস রোজা রাখার পর ছয়টি রোজা রাখা তুলনামূলক সহজ হলেও এর সওয়াব অত্যন্ত বেশি।

ফিকহবিদদের মতে, শাওয়ালের ছয় রোজা ধারাবাহিকভাবে একটানা রাখা যেতে পারে, আবার বিরতি দিয়ে আলাদাভাবেও রাখা যায়। যেভাবেই রাখা হোক, রোজা আদায় হয়ে যাবে এবং নির্ধারিত ফজিলতও পাওয়া যাবে।

হযরত আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা রাখল এবং এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।

আরেক বর্ণনায় এসেছে, একজন সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি কি সারা বছর রোজা রাখতে পারবেন। উত্তরে তিনি বলেন, তোমার ওপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে। তাই সারা বছর রোজা না রেখে রমজানের রোজা রাখো এবং শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখো, তাহলেই সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে। (তিরমিজি)

অতএব, শাওয়ালের ছয় রোজা একটানা বা বিরতি দিয়ে—যেভাবেই রাখা হোক, তা গ্রহণযোগ্য। তবে সুযোগ থাকলে ঈদের পর দ্রুত এই রোজাগুলো আদায় করা উত্তম বলে মনে করেন আলেমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত, এক বছরে রোজার সওয়াব লাভের সুযোগ

আপডেট সময় ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

 

মহিমান্বিত মাস রমজানের পরই আসে শাওয়াল। পবিত্র রমজানজুড়ে যারা সিয়াম সাধনা করেছেন, তারা শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল রোজা রাখলে সারাবছর রোজা রাখার সওয়াব লাভ করেন। এ ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব।

শাওয়াল মাসের ছয় রোজা রাখার নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে, এগুলো কি একটানা ছয় দিন রাখতে হবে, নাকি মাঝে বিরতি দিয়ে রাখা যাবে।

আরও পড়ুন  জেনে নিন: রোজা পালনে অসুস্থ ও অক্ষমদের জন্য ইসলামে বিশেষ ছাড় ও ফিদিয়ার বিধান

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের ফরজ রোজাগুলো রাখার পর শাওয়াল মাসে আরও ছয়টি রোজা রাখে, সে যেন পুরো এক বছর রোজা রাখল। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬৪)

ফজিলতপূর্ণ এই রোজাগুলো প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক মাস রোজা রাখার পর ছয়টি রোজা রাখা তুলনামূলক সহজ হলেও এর সওয়াব অত্যন্ত বেশি।

ফিকহবিদদের মতে, শাওয়ালের ছয় রোজা ধারাবাহিকভাবে একটানা রাখা যেতে পারে, আবার বিরতি দিয়ে আলাদাভাবেও রাখা যায়। যেভাবেই রাখা হোক, রোজা আদায় হয়ে যাবে এবং নির্ধারিত ফজিলতও পাওয়া যাবে।

হযরত আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা রাখল এবং এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।

আরেক বর্ণনায় এসেছে, একজন সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি কি সারা বছর রোজা রাখতে পারবেন। উত্তরে তিনি বলেন, তোমার ওপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে। তাই সারা বছর রোজা না রেখে রমজানের রোজা রাখো এবং শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখো, তাহলেই সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে। (তিরমিজি)

অতএব, শাওয়ালের ছয় রোজা একটানা বা বিরতি দিয়ে—যেভাবেই রাখা হোক, তা গ্রহণযোগ্য। তবে সুযোগ থাকলে ঈদের পর দ্রুত এই রোজাগুলো আদায় করা উত্তম বলে মনে করেন আলেমরা।