ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 165

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বিমান হামলায় সিরিয়ার তারতুসে আঘাত, হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  গাজায় অনাহারে ৩৫ দিনের শিশুর মৃত্যু, ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ১১৬

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।