ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 509

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  হোয়াইট হাউজে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে বৈঠকে ফোর্ডো স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত অন্তত ৬

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।