ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

গাজায় খাদ্য, বিদ্যুৎ সংকট: ইসরায়েলের পদক্ষেপে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 126

ছবি সংগৃহীত

 

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল সম্প্রতি গাজায় পণ্য প্রবেশে বাধা দেওয়ার ফলে, ফিলিস্তিনিরা এক নতুন সংকটে পড়েছে। পণ্য সরবরাহ বন্ধ হওয়ায়, এখানকার অনেক বেকারি বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে খাবারের দাম হু হু করে বাড়ছে। তাছাড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাজার বাসিন্দারা পানীয় জল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে ফিলিস্তিনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির চাপ তৈরি করতে এবং তাদের শক্তি কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে খাবার, ওষুধ এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহে ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়েছে, যা গাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় নৃশংসতার বিরুদ্ধে শোবিজ তারকাদের হৃদয়বিদারক আহ্বান

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, গত ১৭ দিন ধরে চলা যুদ্ধের কারণে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে, গাজার ২৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দা, যারা মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল, আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

এদিকে, হামাস ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে, আলোচনা বা আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ শুধু সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচারের সৃষ্টি করছে।

গাজা বেকারি ইউনিয়নের প্রধান আবদেল-নাসের আল-আজরামি জানান, গ্যাসের অভাবে গাজায় চলমান ২২টি বেকারির মধ্যে ছয়টি ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, অবশিষ্ট বেকারিগুলোও সংকটে পড়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে তারা যদি ডিজেল বা আটা না পায়, তাহলে সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে। এর মধ্যে যদি গাজার সীমান্ত খোলা না হয় এবং পণ্য প্রবাহ শুরু না হয়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

তিনি জানান, ২২টি বেকারিও গাজার বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না, এখন বেকারি বন্ধ হওয়ার কারণে রুটির চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংকট মোকাবিলা করতে গাজার জনগণের সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় খাদ্য, বিদ্যুৎ সংকট: ইসরায়েলের পদক্ষেপে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ

আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল সম্প্রতি গাজায় পণ্য প্রবেশে বাধা দেওয়ার ফলে, ফিলিস্তিনিরা এক নতুন সংকটে পড়েছে। পণ্য সরবরাহ বন্ধ হওয়ায়, এখানকার অনেক বেকারি বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে খাবারের দাম হু হু করে বাড়ছে। তাছাড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাজার বাসিন্দারা পানীয় জল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে ফিলিস্তিনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির চাপ তৈরি করতে এবং তাদের শক্তি কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে খাবার, ওষুধ এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহে ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়েছে, যা গাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করেছে।

আরও পড়ুন  গা/জা/র কৃষি ধ্বংসের মুখে, দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে অর্ধকোটি মানুষ: জাতিসংঘ

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, গত ১৭ দিন ধরে চলা যুদ্ধের কারণে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে, গাজার ২৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দা, যারা মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল, আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

এদিকে, হামাস ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে, আলোচনা বা আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ শুধু সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচারের সৃষ্টি করছে।

গাজা বেকারি ইউনিয়নের প্রধান আবদেল-নাসের আল-আজরামি জানান, গ্যাসের অভাবে গাজায় চলমান ২২টি বেকারির মধ্যে ছয়টি ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, অবশিষ্ট বেকারিগুলোও সংকটে পড়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে তারা যদি ডিজেল বা আটা না পায়, তাহলে সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে। এর মধ্যে যদি গাজার সীমান্ত খোলা না হয় এবং পণ্য প্রবাহ শুরু না হয়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

তিনি জানান, ২২টি বেকারিও গাজার বাসিন্দাদের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না, এখন বেকারি বন্ধ হওয়ার কারণে রুটির চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংকট মোকাবিলা করতে গাজার জনগণের সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।