ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 133

ছবি সংগৃহীত

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  কার্নিকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, শিগগিরই বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

আপডেট সময় ০২:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  পুতিনের সাথে বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে : ট্রাম্প

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।