ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য নতুন সতর্কতা: জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান প্রস্তাব করলেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 143

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত যেসব অবৈধ অভিবাসী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নিবন্ধিত হননি, তাদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখযোগ্য জরিমানা, সম্ভাব্য কারাদণ্ড কিংবা দুটোরই মুখোমুখি হতে পারেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক মুখপাত্র জানান, ‘ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন পুরোপুরি প্রয়োগ করবে। কোনো আইন বেছে বেছে প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের মাতৃভূমি এবং দেশের সব নাগরিকের সুরক্ষা, এবং জানাটা যে, কে আমাদের দেশে অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন  প্রস্তুতি না থাকায় ইরান হামলা থেকে ট্রাম্পকে থামালো ইসরায়েল।

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৪ বছরের বেশি বয়সী যেসব অভিবাসী মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু নিবন্ধিত হননি কিংবা আঙুলের ছাপ দেননি এবং যাঁরা ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের নিবন্ধন এবং আঙুলের ছাপ প্রদান বাধ্যতামূলক।

যখন অভিবাসী নিবন্ধন করবেন এবং আঙুলের ছাপ দেবেন, তখন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ একটি প্রমাণপত্র সরবরাহ করবে, যা ১৮ বছরের বেশি বয়সী অভিবাসীদের সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে অভিবাসীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন বাইডেন সরকারের সিবিপি ওয়ান এন্ট্রি কর্মসূচি বন্ধ করারও চেষ্টা করছে, যা লাখ লাখ অভিবাসীকে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিল।

এটি দেশের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং কঠোর আইন প্রয়োগের সংকেত দেয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য নতুন সতর্কতা: জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান প্রস্তাব করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:৪০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত যেসব অবৈধ অভিবাসী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নিবন্ধিত হননি, তাদের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখযোগ্য জরিমানা, সম্ভাব্য কারাদণ্ড কিংবা দুটোরই মুখোমুখি হতে পারেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক মুখপাত্র জানান, ‘ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন পুরোপুরি প্রয়োগ করবে। কোনো আইন বেছে বেছে প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আমাদের মাতৃভূমি এবং দেশের সব নাগরিকের সুরক্ষা, এবং জানাটা যে, কে আমাদের দেশে অবস্থান করছেন।’

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ, রাজা চার্লসের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকার

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৪ বছরের বেশি বয়সী যেসব অভিবাসী মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু নিবন্ধিত হননি কিংবা আঙুলের ছাপ দেননি এবং যাঁরা ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের নিবন্ধন এবং আঙুলের ছাপ প্রদান বাধ্যতামূলক।

যখন অভিবাসী নিবন্ধন করবেন এবং আঙুলের ছাপ দেবেন, তখন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ একটি প্রমাণপত্র সরবরাহ করবে, যা ১৮ বছরের বেশি বয়সী অভিবাসীদের সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে অভিবাসীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন বাইডেন সরকারের সিবিপি ওয়ান এন্ট্রি কর্মসূচি বন্ধ করারও চেষ্টা করছে, যা লাখ লাখ অভিবাসীকে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিল।

এটি দেশের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং কঠোর আইন প্রয়োগের সংকেত দেয়।