ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে চীনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি: সিএনএনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 147

ছবি সংগৃহীত

 

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিএনএন। বেইজিংয়ের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে ওয়াশিংটন অত্যন্ত উসকানিমূলক হিসেবে দেখছে, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন চীন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করার দাবি করে আসছিল।

মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে কাজে লাগিয়ে তাদের বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছে। সূত্রের দাবি, বেইজিং সরাসরি অস্ত্র না পাঠিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে এসব চালান ইরানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছে, যাতে উৎস গোপন রাখা যায়। মূলত কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ার মিসাইল সিস্টেম বা আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন।

আরও পড়ুন  চুক্তি হোক বা না হোক, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চলবে: ইরানের কঠোর বার্তা

এদিকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র এই প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, বেইজিং কোনো পক্ষকেই সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না। বর্তমান এই উত্তেজনার মধ্যেই আগামী মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদল বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থান করছেন। তবে দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলায় এবং চুক্তির কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়ায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে চীনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি: সিএনএনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় ০৩:০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিএনএন। বেইজিংয়ের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে ওয়াশিংটন অত্যন্ত উসকানিমূলক হিসেবে দেখছে, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন চীন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করার দাবি করে আসছিল।

মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে কাজে লাগিয়ে তাদের বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছে। সূত্রের দাবি, বেইজিং সরাসরি অস্ত্র না পাঠিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে এসব চালান ইরানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছে, যাতে উৎস গোপন রাখা যায়। মূলত কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ার মিসাইল সিস্টেম বা আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন।

আরও পড়ুন  হরমুজ প্রণালি সাময়িক বন্ধের ঘোষণা আইআরজিসির

এদিকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র এই প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, বেইজিং কোনো পক্ষকেই সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না। বর্তমান এই উত্তেজনার মধ্যেই আগামী মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদল বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থান করছেন। তবে দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলায় এবং চুক্তির কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়ায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।