ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি চোখের নিচের কালো দাগ: নিছক দাগ নাকি বড় কোনো রোগের সংকেত সেন্ট লুসিয়া প্রকৃতি, পাহাড় আর সমুদ্রের মোহনীয় দ্বীপ গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল ট্রাক

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

 

বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন ও বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। মূলত সমুদ্রে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতে এবং নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করতে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে এই প্রণালি অতিক্রমকারী প্রতিটি জাহাজকে ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট প্রবেশ ও বহির্গমন পথ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে:
প্রবেশ পথ: ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে।
বহির্গমন পথ: পারস্য উপসাগর থেকে লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ২২৪, আহত সহস্রাধিক

ইরানি নৌবাহিনী সতর্ক করেছে যে, সমুদ্রে ভাসমান মাইনের উপস্থিতি নৌ-চলাচলের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইআরজিসি’র অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেই জাহাজকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ধ্বংস করা হবে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত খুব অল্প সংখ্যক জাহাজ এই স্পর্শকাতর পথটি ব্যবহার করেছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরানের এই নতুন রুট ঘোষণা এবং সামরিক কঠোরতা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে আইআরজিসি’র সঙ্গে সমন্বয় করার বাধ্যবাধকতা আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন সংস্থাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আইআরজিসি’র এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে। ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর এলাকায় ইরানি নৌবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিটি জাহাজের গতিবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৫:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন ও বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। মূলত সমুদ্রে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতে এবং নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করতে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে এই প্রণালি অতিক্রমকারী প্রতিটি জাহাজকে ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট প্রবেশ ও বহির্গমন পথ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে:
প্রবেশ পথ: ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে।
বহির্গমন পথ: পারস্য উপসাগর থেকে লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে।

আরও পড়ুন  জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

ইরানি নৌবাহিনী সতর্ক করেছে যে, সমুদ্রে ভাসমান মাইনের উপস্থিতি নৌ-চলাচলের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইআরজিসি’র অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেই জাহাজকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ধ্বংস করা হবে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত খুব অল্প সংখ্যক জাহাজ এই স্পর্শকাতর পথটি ব্যবহার করেছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরানের এই নতুন রুট ঘোষণা এবং সামরিক কঠোরতা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে আইআরজিসি’র সঙ্গে সমন্বয় করার বাধ্যবাধকতা আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন সংস্থাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আইআরজিসি’র এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে। ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর এলাকায় ইরানি নৌবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিটি জাহাজের গতিবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।