ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপাল ও বাংলাদেশের জেন-জি রাজনীতির ভিন্নতা পাকিস্তান-মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আজই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলের ‘শক্তিশালী’ হামলা: অচল ৮৫ শতাংশ রপ্তানি সক্ষমতা ১০ বছর পর তনু হত্যায় নতুন মোড়: তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত: পাল্টা ভারতীয় কৃষক আটক সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ: তালিকায় বেক্সিমকো ও এস আলম গ্রুপ শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান নিহত

পাকিস্তান-মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আজই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

 

দীর্ঘ পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বিশেষ শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, দুই পক্ষ একমত হলে আজ সোমবার থেকেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হতে পারে।

রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল রোববার রাতেই পাকিস্তান উভয় দেশের কাছে একটি দ্বি-স্তরীয় শান্তি পরিকল্পনার রূপরেখা হস্তান্তর করেছে। আজ দিনের মধ্যেই এই সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে, যেখানে পাকিস্তান একমাত্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন  ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উজ্জ্বল তথ্য

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এবং অন্যান্য সূত্রের তথ্যমতে, ৪৫ দিনের একটি প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ খোঁজা হচ্ছে। এই কূটনৈতিক তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

তিনি রাতভর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন। ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ নামে পরিচিত এই পরিকল্পনার আওতায় ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক কাঠামো তৈরি করা হবে এবং চূড়ান্ত আলোচনার জন্য দুই পক্ষ সশরীরে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসবে।

আলোচনার টেবিলে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। তেহরান অবশ্য স্থায়ী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাচ্ছে যেন ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল পুনরায় হামলা না চালায়। তবে পাকিস্তান ও চীন সমর্থিত এই প্রস্তাবে ইরান এখনো চূড়ান্ত কোনো সবুজ সংকেত দেয়নি।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, ইসলামাবাদের এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে কতটা সফল হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তান-মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আজই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৭:২৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

 

দীর্ঘ পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বিশেষ শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, দুই পক্ষ একমত হলে আজ সোমবার থেকেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হতে পারে।

রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল রোববার রাতেই পাকিস্তান উভয় দেশের কাছে একটি দ্বি-স্তরীয় শান্তি পরিকল্পনার রূপরেখা হস্তান্তর করেছে। আজ দিনের মধ্যেই এই সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে, যেখানে পাকিস্তান একমাত্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন  জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এবং অন্যান্য সূত্রের তথ্যমতে, ৪৫ দিনের একটি প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ খোঁজা হচ্ছে। এই কূটনৈতিক তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

তিনি রাতভর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন। ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ নামে পরিচিত এই পরিকল্পনার আওতায় ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক কাঠামো তৈরি করা হবে এবং চূড়ান্ত আলোচনার জন্য দুই পক্ষ সশরীরে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসবে।

আলোচনার টেবিলে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। তেহরান অবশ্য স্থায়ী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাচ্ছে যেন ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল পুনরায় হামলা না চালায়। তবে পাকিস্তান ও চীন সমর্থিত এই প্রস্তাবে ইরান এখনো চূড়ান্ত কোনো সবুজ সংকেত দেয়নি।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, ইসলামাবাদের এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে কতটা সফল হয়।