ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাতৃত্বের পর নতুন রূপে কিয়ারা উড়োজাহাজের কার্গো টয়লেট থেকে ৩৮ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে স্কুল অধ্যক্ষের মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান ময়মনসিংহ মেডিকেলে ১১ দিনে ১০৫ শিশু ভর্তি, প্রাণ হারালো ৩ জন বোচাগঞ্জে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বিকল্প লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক গাজায় পুলিশ চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৬ বছরের প্রতিরক্ষা চুক্তি, পারস্য উপসাগরে ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে ঠেকানো হবে ইরানি ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণ: ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে রাজপথে ৮০ লাখ মানুষ

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন, প্রথম চালান বিক্রি ৫০ কোটি ডলারে

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরান নতুন ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি উন্মোচন করল

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।