ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের বিশ্বব্যাপী নেতিবাচক প্রভাব সবার ওপর পড়বে: আরাঘচি ঈদ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এমপির বগুড়ায় মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩ তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ভেনেজুয়েলা নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে হতাশ উপসাগরীয় দেশগুলো! ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিলোমিটারজুড়ে যানজট: বিপাকে ঘরমুখো মানুষ মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে অগ্নিকাণ্ড তুরস্কের মধ্য দিয়ে বিকল্প পথে তেল রপ্তানির সিদ্ধান্ত ইরাকের। ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি। বেলিজ: মধ্য আমেরিকার ছোট কিন্তু বৈচিত্র্যময় দেশ

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  ইরান গোপনে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে: দাবী দ্য টেলিগ্রাফের

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় প্রমাণ গোপনের অভিযোগ

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।