০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কন্যাকে দেশের দায়িত্ব দেবেন কিম, ভাই-বোনের সংঘাত অনিবার্য?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 54

ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিপতি কিম জং উনের উত্তরাধিকারী নিয়ে জল্পনার খবর নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি তা নিয়ে জোরালো আলাপ শুরু হয়েছে কোরিয়ায়। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিমের সঙ্গে এক কিশোরীকে দেখা যাচ্ছে। সে কিমের ১৩ বছরের মেয়ে কিম জু এ।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এনআইএস) দাবি করেছে, মেয়ের হাতেই উত্তর কোরিয়ার শাসনভার তুলে দেবেন কিম। তবে সেই পথে বাধা আসতে পারে ঘর থেকেই।

কিমের ৩৮ বছর বয়সী বোন কিম ইয়ো জংকে এই মুহূর্তে উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী ব্যক্তি বলে জানায় এনআইএস। কিম ইয়ো জং উত্তর কোরিয়া সরকারের শীর্ষ পদে রয়েছেন। দেশটির রাজনৈতিক-সামরিক ক্ষেত্রেও তার প্রভাব অপরিসীম। বিশেষ করে, উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে কিমের বোনের প্রভাব তাকে ক্ষমতার অন্যতম শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

এ কারণে একাংশের শঙ্কা, সহজে কিম জু এ-এর হাতে শাসনভার তুলে দিতে দেবেন না কিমের বোন। তিনি নিজে কিমের উত্তরসূরি হিসেবে উত্তর কোরিয়ার দায়িত্ব নিতে চাইবেন। সুযোগ পেলেই তার সদ্ব্যবহার করবেন। ফলে উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে কিমের পরিবার আসন্ন সংঘাতের মুখে দাঁড়িয়ে, মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

চলতি মাসেই কিম উত্তর কোরিয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দেশের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে আসন্ন সম্মেলন থেকেই একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত কিম ঘোষণা করতে পারেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা এই সম্মেলন এবং দেশটির পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবে। কিম সেখানেও তার কন্যাকে নিয়ে আসেন কিনা, পর্যবেক্ষণ করা হবে।

২০২২ সালের নভেম্বরে উত্তর কোরিয়ার একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে কিম জু এ’কে প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা যায়। এরপর থেকে একাধিক রাজনৈতিক এবং সামরিক অনুষ্ঠানে কিম জু এ বাবাকে সঙ্গ দিয়েছে।

এমনকি, গত সেপ্টেম্বরে কন্যাকে নিয়ে কিম চীনেও যান। পর্যবেক্ষকদের মতে, কন্যার রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতেই তাকে পাশে রাখছেন কিম।

অনেকের ধারণা, কিমের কন্যাকে উত্তরসূরি করার ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব রয়েছে। তবে একটি বিষয়ে সবাই প্রায় একমত, কিমের বোন এতে বাধা দেবেন। কেননা কিমের ওপর তার প্রভাবও কম নয়। ফলে এখান থেকে বড়সড় কোনও পারিবারিক সংঘাত তৈরি হতে পারে। ২০২২ সালে কিমের বোন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কন্যাকে দেশের দায়িত্ব দেবেন কিম, ভাই-বোনের সংঘাত অনিবার্য?

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিপতি কিম জং উনের উত্তরাধিকারী নিয়ে জল্পনার খবর নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি তা নিয়ে জোরালো আলাপ শুরু হয়েছে কোরিয়ায়। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিমের সঙ্গে এক কিশোরীকে দেখা যাচ্ছে। সে কিমের ১৩ বছরের মেয়ে কিম জু এ।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এনআইএস) দাবি করেছে, মেয়ের হাতেই উত্তর কোরিয়ার শাসনভার তুলে দেবেন কিম। তবে সেই পথে বাধা আসতে পারে ঘর থেকেই।

কিমের ৩৮ বছর বয়সী বোন কিম ইয়ো জংকে এই মুহূর্তে উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী ব্যক্তি বলে জানায় এনআইএস। কিম ইয়ো জং উত্তর কোরিয়া সরকারের শীর্ষ পদে রয়েছেন। দেশটির রাজনৈতিক-সামরিক ক্ষেত্রেও তার প্রভাব অপরিসীম। বিশেষ করে, উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে কিমের বোনের প্রভাব তাকে ক্ষমতার অন্যতম শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

এ কারণে একাংশের শঙ্কা, সহজে কিম জু এ-এর হাতে শাসনভার তুলে দিতে দেবেন না কিমের বোন। তিনি নিজে কিমের উত্তরসূরি হিসেবে উত্তর কোরিয়ার দায়িত্ব নিতে চাইবেন। সুযোগ পেলেই তার সদ্ব্যবহার করবেন। ফলে উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে কিমের পরিবার আসন্ন সংঘাতের মুখে দাঁড়িয়ে, মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

চলতি মাসেই কিম উত্তর কোরিয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দেশের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে আসন্ন সম্মেলন থেকেই একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত কিম ঘোষণা করতে পারেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা এই সম্মেলন এবং দেশটির পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবে। কিম সেখানেও তার কন্যাকে নিয়ে আসেন কিনা, পর্যবেক্ষণ করা হবে।

২০২২ সালের নভেম্বরে উত্তর কোরিয়ার একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে কিম জু এ’কে প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা যায়। এরপর থেকে একাধিক রাজনৈতিক এবং সামরিক অনুষ্ঠানে কিম জু এ বাবাকে সঙ্গ দিয়েছে।

এমনকি, গত সেপ্টেম্বরে কন্যাকে নিয়ে কিম চীনেও যান। পর্যবেক্ষকদের মতে, কন্যার রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতেই তাকে পাশে রাখছেন কিম।

অনেকের ধারণা, কিমের কন্যাকে উত্তরসূরি করার ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব রয়েছে। তবে একটি বিষয়ে সবাই প্রায় একমত, কিমের বোন এতে বাধা দেবেন। কেননা কিমের ওপর তার প্রভাবও কম নয়। ফলে এখান থেকে বড়সড় কোনও পারিবারিক সংঘাত তৈরি হতে পারে। ২০২২ সালে কিমের বোন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।