০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করলো চীন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 26

ছবি সংগৃহীত

 

চীন সরকার ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হলো, রাশিয়ার বিদ্যুৎ রপ্তানি মূল্য, যা প্রথমবারের মতো চীনের নিজেদের বিদ্যুৎ দামের চেয়েও বেশি হয়ে গেছে।
ফলে বেইজিংয়ের কাছে রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ কেনা আর অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।

এমনকি চীন চুক্তিভিত্তিক ন্যূনতম বিদ্যুৎ আমদানিও (প্রায় ১২ মেগাওয়াট) বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও রাশিয়ার বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান Inter RAO এবং চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশনের মধ্যে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে বাস্তবে এই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ২০২৩ সালের আগস্ট থেকেই কমতে শুরু করে। এর প্রধান কারণ ছিল রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ঘাটতি, যার ফলে রপ্তানির সক্ষমতা কমে যায়।

রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যদি চীন আবার বিদ্যুৎ আমদানির অনুরোধ জানায় এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক শর্তে সমঝোতা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে রপ্তানি আবার শুরু হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করলো চীন

আপডেট সময় ০৯:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

চীন সরকার ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হলো, রাশিয়ার বিদ্যুৎ রপ্তানি মূল্য, যা প্রথমবারের মতো চীনের নিজেদের বিদ্যুৎ দামের চেয়েও বেশি হয়ে গেছে।
ফলে বেইজিংয়ের কাছে রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ কেনা আর অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।

এমনকি চীন চুক্তিভিত্তিক ন্যূনতম বিদ্যুৎ আমদানিও (প্রায় ১২ মেগাওয়াট) বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও রাশিয়ার বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান Inter RAO এবং চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশনের মধ্যে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে বাস্তবে এই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ২০২৩ সালের আগস্ট থেকেই কমতে শুরু করে। এর প্রধান কারণ ছিল রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ঘাটতি, যার ফলে রপ্তানির সক্ষমতা কমে যায়।

রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যদি চীন আবার বিদ্যুৎ আমদানির অনুরোধ জানায় এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক শর্তে সমঝোতা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে রপ্তানি আবার শুরু হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে এমন সম্ভাবনা খুবই কম।