১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

গ্রীনল্যান্ডের ‘ট্যানব্রিজে’ বিরল খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের নজর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 172

ছবি সংগৃহীত

 

রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার গ্রীনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত “ট্যানব্রিজ” (Tanbreez)- এ মার্কিন কোম্পানি Critical Metals Corp এর মালিকানাধীন এক বিরল খনিজ সম্পদের অংশীদার হতে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি হোয়াইট হাউসের একটি কৌশল মাত্র। সরাসরি গ্রীনল্যান্ড দখলের চেষ্টা না করে বিপুল খনিজ সম্পদে হাত দিতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

বিরল খনিজ বা Rare Earths উচ্চচৌম্বক বৈশিষ্ট্যের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে অপরিহার্য। বর্তমানে এসব উপাদানে চীনের একচেটিয়া আধিপত্য কমাতে পশ্চিমা দেশগুলো বিকল্প উৎস খুঁজছে।

গ্রীনল্যান্ডের বরফাবৃত অঞ্চলে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়ামসহ বিপুল খনিজ সম্পদ রয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রকল্প হলো,

১. ট্যানব্রিজ প্রকল্প: প্রায় ৪৫ মিলিয়ন টন বিরল খনিজ অক্সাইড মজুত। ২০২৮ সালে কাজ শুরু হওয়ার কথা।

২. কভানেফজেল্ড প্রকল্প: ১ বিলিয়ন টনের বেশি আকরিক মজুত। তবে ইউরেনিয়াম খনন নিষিদ্ধ থাকায় উন্নয়ন আটকে আছে।

৩.সারফারটক প্রকল্প: প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার টন বিরল খনিজ অক্সাইড মজুত, এখনো অনুসন্ধান চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রহকে অনেকেই গ্রীনল্যান্ডের বিশাল খনিজ সম্পদে প্রভাব বিস্তারের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রীনল্যান্ডের ‘ট্যানব্রিজে’ বিরল খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের নজর

আপডেট সময় ০৬:১৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

 

রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার গ্রীনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত “ট্যানব্রিজ” (Tanbreez)- এ মার্কিন কোম্পানি Critical Metals Corp এর মালিকানাধীন এক বিরল খনিজ সম্পদের অংশীদার হতে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি হোয়াইট হাউসের একটি কৌশল মাত্র। সরাসরি গ্রীনল্যান্ড দখলের চেষ্টা না করে বিপুল খনিজ সম্পদে হাত দিতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

বিরল খনিজ বা Rare Earths উচ্চচৌম্বক বৈশিষ্ট্যের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে অপরিহার্য। বর্তমানে এসব উপাদানে চীনের একচেটিয়া আধিপত্য কমাতে পশ্চিমা দেশগুলো বিকল্প উৎস খুঁজছে।

গ্রীনল্যান্ডের বরফাবৃত অঞ্চলে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়ামসহ বিপুল খনিজ সম্পদ রয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রকল্প হলো,

১. ট্যানব্রিজ প্রকল্প: প্রায় ৪৫ মিলিয়ন টন বিরল খনিজ অক্সাইড মজুত। ২০২৮ সালে কাজ শুরু হওয়ার কথা।

২. কভানেফজেল্ড প্রকল্প: ১ বিলিয়ন টনের বেশি আকরিক মজুত। তবে ইউরেনিয়াম খনন নিষিদ্ধ থাকায় উন্নয়ন আটকে আছে।

৩.সারফারটক প্রকল্প: প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার টন বিরল খনিজ অক্সাইড মজুত, এখনো অনুসন্ধান চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রহকে অনেকেই গ্রীনল্যান্ডের বিশাল খনিজ সম্পদে প্রভাব বিস্তারের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।