ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেরুজালেমে খ্রিস্টান স্থাপনা নিয়ে রাশিয়া–ইসরাইল উত্তেজনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 275

ছবি সংগৃহীত

 

 

জেরুজালেমের পুরনো শহরে আলেকজান্ডার কোর্টইয়ার্ডের মালিকানা নিয়ে রাশিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ঐতিহাসিক এই স্থান রাশিয়ার হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন  রাশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

চার্চ অফ দ্য হলি সেপালখারের পাশে অবস্থিত ১,৩০০ বর্গমিটারের এই জায়গা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিতর্কিত ভূমি হিসেবে পরিচিত। ১৮৯০ সাল থেকে রাশিয়ার ইম্পেরিয়াল অর্থোডক্স প্যালেস্টাইন সোসাইটি (OPS) জায়গাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অটোমান আমলের দলিলে এটি “রুশ সাম্রাজ্যের অংশ” হিসেবে উল্লেখ আছে।

পুতিন বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগতও মনে করছেন—এটি রাশিয়ার দীর্ঘ ঐতিহাসিক উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক বলে তার দাবি।

ইসরাইলের অনড় অবস্থান সত্ত্বেও রাশিয়া মালিকানা স্বীকৃতির দাবি জানাচ্ছে এবং এ বিষয়ে পুতিন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জেরুজালেমে খ্রিস্টান স্থাপনা নিয়ে রাশিয়া–ইসরাইল উত্তেজনা

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

 

 

জেরুজালেমের পুরনো শহরে আলেকজান্ডার কোর্টইয়ার্ডের মালিকানা নিয়ে রাশিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ঐতিহাসিক এই স্থান রাশিয়ার হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনকে ছাড়াই সৌদি আরবে শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া!

চার্চ অফ দ্য হলি সেপালখারের পাশে অবস্থিত ১,৩০০ বর্গমিটারের এই জায়গা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিতর্কিত ভূমি হিসেবে পরিচিত। ১৮৯০ সাল থেকে রাশিয়ার ইম্পেরিয়াল অর্থোডক্স প্যালেস্টাইন সোসাইটি (OPS) জায়গাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অটোমান আমলের দলিলে এটি “রুশ সাম্রাজ্যের অংশ” হিসেবে উল্লেখ আছে।

পুতিন বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগতও মনে করছেন—এটি রাশিয়ার দীর্ঘ ঐতিহাসিক উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক বলে তার দাবি।

ইসরাইলের অনড় অবস্থান সত্ত্বেও রাশিয়া মালিকানা স্বীকৃতির দাবি জানাচ্ছে এবং এ বিষয়ে পুতিন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।