ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

ইন্দোনেশিয়ার তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 239

ছবি সংগৃহীত

 

 

ইন্দোনেশিয়ার তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় সময় এই কম্পন অনুভূত হয়। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  রাশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৯৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে এই কম্পনের ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।

ভিন্ন একটি তথ্যসূত্র, জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস’ (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮ এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। দু’টি তথ্যের মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকলেও উভয়েই ভূমিকম্পটির শক্তি ও গভীরতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত ইন্দোনেশিয়া। এ দেশের ভূভাগ এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টেকটোনিক প্লেট একত্রিত হয়েছে। ফলে এখানে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ভূমিকম্পটি যে তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানে, সেটি মালুকু প্রদেশের অন্তর্গত একটি প্রত্যন্ত এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করলেও অধিকাংশ স্থানে এটি সীমিত মাত্রায় প্রভাব ফেলেছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা থাকায় জনগণকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। তবে আপাতত সুনামি বা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইন্দোনেশিয়ার তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

আপডেট সময় ০৬:২৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

 

 

ইন্দোনেশিয়ার তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় সময় এই কম্পন অনুভূত হয়। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ ৬ দেশ

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৯৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে এই কম্পনের ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।

ভিন্ন একটি তথ্যসূত্র, জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস’ (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮ এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। দু’টি তথ্যের মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকলেও উভয়েই ভূমিকম্পটির শক্তি ও গভীরতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত ইন্দোনেশিয়া। এ দেশের ভূভাগ এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টেকটোনিক প্লেট একত্রিত হয়েছে। ফলে এখানে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ভূমিকম্পটি যে তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানে, সেটি মালুকু প্রদেশের অন্তর্গত একটি প্রত্যন্ত এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করলেও অধিকাংশ স্থানে এটি সীমিত মাত্রায় প্রভাব ফেলেছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা থাকায় জনগণকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। তবে আপাতত সুনামি বা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী।