ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়ঙ্কর `কিঞ্জহাল” হামলা, লক্ষ্য সামরিক ঘাঁটি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 263

ছবি: সংগৃহীত

 

কিয়েভ ও মস্কোকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিসম্পন্ন (হাইপারসনিক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কিঞ্জহাল’ নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (২৮ জুন) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় খেমিলনিৎস্কি এলাকার স্তারোকোনস্তানতিনোভ সামরিক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিঞ্জহালের পাশাপাশি বিস্ফোরকবাহী একাধিক ড্রোনও ওই বিমানঘাঁটির দিকে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  একসঙ্গে ১২০০ ইউক্রেনীয় সেনার মরদেহ ফেরত দিল রাশিয়া

রাশিয়ার দাবি, কিঞ্জহাল তাদের অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এবং উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা সম্পন্ন। পশ্চিমা বিশ্বে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘ড্যাগার’ বা ‘ছোরা’ নামে পরিচিত। সর্বোচ্চ ৪৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্র।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি রাশিয়ার পক্ষ থেকেও।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত সাত দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো জোটে যোগদানের প্রচেষ্টা, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের মালিকানা ইত্যাদি ইস্যুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়ঙ্কর `কিঞ্জহাল” হামলা, লক্ষ্য সামরিক ঘাঁটি

আপডেট সময় ১০:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

কিয়েভ ও মস্কোকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিসম্পন্ন (হাইপারসনিক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কিঞ্জহাল’ নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (২৮ জুন) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় খেমিলনিৎস্কি এলাকার স্তারোকোনস্তানতিনোভ সামরিক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিঞ্জহালের পাশাপাশি বিস্ফোরকবাহী একাধিক ড্রোনও ওই বিমানঘাঁটির দিকে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনা: অবৈধ অভিবাসীদের সামরিক ঘাঁটিতে আটকের উদ্যোগ

রাশিয়ার দাবি, কিঞ্জহাল তাদের অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এবং উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা সম্পন্ন। পশ্চিমা বিশ্বে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘ড্যাগার’ বা ‘ছোরা’ নামে পরিচিত। সর্বোচ্চ ৪৮০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্র।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি রাশিয়ার পক্ষ থেকেও।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত সাত দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো জোটে যোগদানের প্রচেষ্টা, ক্রিমিয়া উপদ্বীপের মালিকানা ইত্যাদি ইস্যুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।