ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 132

ছবি সংগৃহীত

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও স্ত্রীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও স্ত্রীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস