ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  গা/জা/য় ক্যাফে, স্কুল ও হাসপাতালে ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৯৫

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আরও পড়ুন  মিশরের সাথে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের গ্যাস চুক্তি স্থগিত করল ইসরায়েল

হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, গাজার আল-আলম চত্বরে ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক মানুষদের ওপর সরাসরি গুলি চালানো হয়। এই চত্বরটি একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের লক্ষ্য করেই হামলাটি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানায়, নির্ধারিত রুট থেকে সরে এসে সেনাদের দিকে এগিয়ে যাওয়া কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেকোনো ধরনের সন্দেহের মধ্যেও বেসামরিক মানুষদের জীবন রক্ষাই আন্তর্জাতিক আইনে অগ্রাধিকার পায়।

এর আগে রোববার একই রকমের ঘটনায় বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হন। সে সময়ও ইসরায়েল দায় অস্বীকার করে জানায়, তারা গুলি চালায়নি। অথচ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ওই ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন করে চালানো হামলার পর খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের পরিচালক ড. আতেফ আল-হুত জানান, হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২৪ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়।

গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া অসহায় মানুষদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। কিন্তু সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।