ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ

নাইজেরিয়ার ইমো রাজ্যে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩০ যাত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 158

ছবি: সংগৃহীত

 

নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইমো রাজ্যে সন্ত্রাসীদের গুলিতে অন্তত ৩০ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ঘটনাটি ইমো রাজ্যের ওরু এলাকায় ঘটেছে, যা দীর্ঘদিন ধরেই সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে চরম উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মে জানিয়েছে, এই বর্বর হামলার পেছনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘ইন্ডিজেনাস পিপল অব বিয়াফ্রা (আইপিওবি)’-এর সন্দেহভাজন সদস্যরা জড়িত।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত, আহত অন্তত ১২

সন্ত্রাসীরা একযোগে তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে একটি ব্যস্ত মহাসড়ক অবরোধ করে। এরপর শুরু করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো এবং যাত্রীবাহী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া। এতে ঘটনাস্থলেই বহু যাত্রীর মৃত্যু হয়। অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, হামলাকারীরা অন্তত ২০টিরও বেশি গাড়ি ও ট্রাক পুড়িয়ে দেয়।

ইমো রাজ্যের পুলিশ মুখপাত্র হেনরি ওকোয়ে হামলার খবর নিশ্চিত করলেও নিহতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি রয়টার্সকে জানান, পুলিশের পাল্টা অভিযানে অন্তত একজন হামলাকারী নিহত হয়েছে।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হামলার পরপরই এলাকাটি ঘিরে রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ চিরুনি অভিযান শুরু করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করতে পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চল এবং বসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই আইপিওবি গোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চলছে। গোষ্ঠীটি স্বাধীন বিয়াফ্রা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে বহুবার সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই ধরনের হামলা শুধু নিরীহ মানুষের প্রাণহানি বাড়াচ্ছে না, বরং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকেই হুমকির মুখে ফেলছে।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

নাইজেরিয়ার ইমো রাজ্যে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩০ যাত্রী

আপডেট সময় ০৩:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইমো রাজ্যে সন্ত্রাসীদের গুলিতে অন্তত ৩০ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ঘটনাটি ইমো রাজ্যের ওরু এলাকায় ঘটেছে, যা দীর্ঘদিন ধরেই সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে চরম উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মে জানিয়েছে, এই বর্বর হামলার পেছনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘ইন্ডিজেনাস পিপল অব বিয়াফ্রা (আইপিওবি)’-এর সন্দেহভাজন সদস্যরা জড়িত।

আরও পড়ুন  আমিরাতের প্রধান বন্দরের কাছে ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা

সন্ত্রাসীরা একযোগে তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে একটি ব্যস্ত মহাসড়ক অবরোধ করে। এরপর শুরু করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো এবং যাত্রীবাহী গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া। এতে ঘটনাস্থলেই বহু যাত্রীর মৃত্যু হয়। অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, হামলাকারীরা অন্তত ২০টিরও বেশি গাড়ি ও ট্রাক পুড়িয়ে দেয়।

ইমো রাজ্যের পুলিশ মুখপাত্র হেনরি ওকোয়ে হামলার খবর নিশ্চিত করলেও নিহতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি রয়টার্সকে জানান, পুলিশের পাল্টা অভিযানে অন্তত একজন হামলাকারী নিহত হয়েছে।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হামলার পরপরই এলাকাটি ঘিরে রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ চিরুনি অভিযান শুরু করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করতে পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চল এবং বসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই আইপিওবি গোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চলছে। গোষ্ঠীটি স্বাধীন বিয়াফ্রা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে বহুবার সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই ধরনের হামলা শুধু নিরীহ মানুষের প্রাণহানি বাড়াচ্ছে না, বরং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকেই হুমকির মুখে ফেলছে।

সূত্র: রয়টার্স