১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

পাকিস্তানে বিমান হামলা ‘সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা’ বলে দাবি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 119

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানে চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলাকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এই হামলাকে কেন্দ্র করে তিনি সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির পক্ষে গোটা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্য করেন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে। খবর বিবিসির।

জয়শঙ্কর তার এক্স পোস্টে লেখেন, “বিশ্বকে এখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা দেখাতে হবে।” তিনি সঙ্গে যুক্ত করেন একটি প্রতীকী ছবি, যেখানে লেখা ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে চালানো ভারতীয় বিমান হামলাটির নামকরণই এটি।

বিজ্ঞাপন

ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ড কালো এবং সেখানে সাদা অক্ষরে লেখা ‘অপারেশন সিঁদুর’। শব্দটির মধ্যে থাকা ‘ও’-এর ভেতরে একটি সিঁদুরপাত্রের প্রতিকৃতি যা হিন্দু বিবাহিত নারীদের সিঁথিতে ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী লাল রঙের গুঁড়ার প্রতীক।

এই প্রতীকী বার্তাটি পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দেয় কাশ্মীরের পাহেলগাম এলাকায় জঙ্গি হামলায় নিহত পুরুষদের বিধবা হয়ে যাওয়া স্ত্রীদের কথা। ওই ঘটনায় নিহত ২৬ জনের সবাই ছিলেন পুরুষ এবং তাদের মধ্যে অনেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের এই সামরিক অভিযান এবং পোস্টার বার্তাকে অনেকেই দেখছেন একপ্রকার শক্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে যা শুধু সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণেরও একটি কৌশল।

বিমান হামলার প্রকৃত তথ্য কিংবা পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই হামলা নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে আত্মরক্ষামূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ হিসেবেই তুলে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের অপারেশন ও তার সঙ্গে প্রতীকী প্রচারণা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে যেমন সম্পৃক্ত, তেমনি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও ভারত তার অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

এদিকে, এ হামলার পর দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক উত্তেজনা আবারও বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে বিমান হামলা ‘সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা’ বলে দাবি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১১:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

পাকিস্তানে চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলাকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এই হামলাকে কেন্দ্র করে তিনি সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির পক্ষে গোটা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্য করেন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে। খবর বিবিসির।

জয়শঙ্কর তার এক্স পোস্টে লেখেন, “বিশ্বকে এখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা দেখাতে হবে।” তিনি সঙ্গে যুক্ত করেন একটি প্রতীকী ছবি, যেখানে লেখা ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে চালানো ভারতীয় বিমান হামলাটির নামকরণই এটি।

বিজ্ঞাপন

ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ড কালো এবং সেখানে সাদা অক্ষরে লেখা ‘অপারেশন সিঁদুর’। শব্দটির মধ্যে থাকা ‘ও’-এর ভেতরে একটি সিঁদুরপাত্রের প্রতিকৃতি যা হিন্দু বিবাহিত নারীদের সিঁথিতে ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী লাল রঙের গুঁড়ার প্রতীক।

এই প্রতীকী বার্তাটি পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দেয় কাশ্মীরের পাহেলগাম এলাকায় জঙ্গি হামলায় নিহত পুরুষদের বিধবা হয়ে যাওয়া স্ত্রীদের কথা। ওই ঘটনায় নিহত ২৬ জনের সবাই ছিলেন পুরুষ এবং তাদের মধ্যে অনেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের এই সামরিক অভিযান এবং পোস্টার বার্তাকে অনেকেই দেখছেন একপ্রকার শক্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে যা শুধু সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণেরও একটি কৌশল।

বিমান হামলার প্রকৃত তথ্য কিংবা পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই হামলা নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে আত্মরক্ষামূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ হিসেবেই তুলে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের অপারেশন ও তার সঙ্গে প্রতীকী প্রচারণা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে যেমন সম্পৃক্ত, তেমনি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও ভারত তার অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

এদিকে, এ হামলার পর দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক উত্তেজনা আবারও বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।