ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

পার্লামেন্টে প্রথম ধাপেই ব্যর্থ ফ্রেডরিখ মেৎস, জার্মান রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 127

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানির রক্ষণশীল নেতা ফ্রেডরিখ মেৎস বুন্ডেস্টাগের প্রথম দফার ভোটে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৩০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে তার পক্ষে ৩১০টি ভোট পড়েছে, যেখানে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩১৬টি। ছয় ভোটের এই ঘাটতি তার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ভোটে মেৎসের জয় প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কারণ তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ/সিএসইউ) ও মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (এসপিডি) জোট মিলে পার্লামেন্টে ৩২৮টি আসন রয়েছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা মাত্র বলে মনে করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন  সপ্তাহজুড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের যে কাজগুলো প্রশংসিত-

কিন্তু ফলাফল স্পষ্ট করেছে যে জোটের ভিতরে মতবিরোধ বা অসন্তোষ রয়েছে। ৩১০ জন সংসদ সদস্য মেৎসের পক্ষে ভোট দিলেও ৩০৭ জন ভোট দিয়েছেন বিপক্ষে। তিনজন ভোটদানে বিরত ছিলেন, একটি ব্যালট বাতিল হয়েছে এবং নয়জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।

এই ফলাফল জার্মান রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেৎসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তার জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে আগের মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবে তৃতীয় ও চূড়ান্ত দফায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই মেৎস চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যর্থতা মেৎসের নেতৃত্বের ওপর আস্থা সংকট তৈরি করেছে। জোটের মধ্যে বিদ্যমান বিভক্তি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফ্রেডরিখ মেৎস এখন চাপের মুখে পড়েছেন একদিকে তাকে দলীয় সমন্বয় ও আস্থার ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে, অন্যদিকে জাতীয় নেতৃত্বে তার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে হবে।

সূত্র: এএফপি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পার্লামেন্টে প্রথম ধাপেই ব্যর্থ ফ্রেডরিখ মেৎস, জার্মান রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা

আপডেট সময় ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

জার্মানির রক্ষণশীল নেতা ফ্রেডরিখ মেৎস বুন্ডেস্টাগের প্রথম দফার ভোটে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৩০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে তার পক্ষে ৩১০টি ভোট পড়েছে, যেখানে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩১৬টি। ছয় ভোটের এই ঘাটতি তার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ভোটে মেৎসের জয় প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কারণ তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ/সিএসইউ) ও মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (এসপিডি) জোট মিলে পার্লামেন্টে ৩২৮টি আসন রয়েছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা মাত্র বলে মনে করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন  সপ্তাহজুড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের যে কাজগুলো প্রশংসিত-

কিন্তু ফলাফল স্পষ্ট করেছে যে জোটের ভিতরে মতবিরোধ বা অসন্তোষ রয়েছে। ৩১০ জন সংসদ সদস্য মেৎসের পক্ষে ভোট দিলেও ৩০৭ জন ভোট দিয়েছেন বিপক্ষে। তিনজন ভোটদানে বিরত ছিলেন, একটি ব্যালট বাতিল হয়েছে এবং নয়জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।

এই ফলাফল জার্মান রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেৎসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তার জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে আগের মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবে তৃতীয় ও চূড়ান্ত দফায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই মেৎস চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যর্থতা মেৎসের নেতৃত্বের ওপর আস্থা সংকট তৈরি করেছে। জোটের মধ্যে বিদ্যমান বিভক্তি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফ্রেডরিখ মেৎস এখন চাপের মুখে পড়েছেন একদিকে তাকে দলীয় সমন্বয় ও আস্থার ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে, অন্যদিকে জাতীয় নেতৃত্বে তার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে হবে।

সূত্র: এএফপি