ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে ৫৭ জনের মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 117

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ফলে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে। খাদ্য, পানি ও ওষুধবাহী মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলো সীমান্তেই আটকে রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার কারণে এসব সহায়তা এখনও গাজায় প্রবেশ করতে পারেনি।

অন্যদিকে, শনিবার (৩ মে) ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ১৮

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৪৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জন। তবে গাজা গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিস বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষের মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি। তাই প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

মানবিক সহায়তার অপ্রবেশযোগ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাগুলো বলছে, খাদ্য ও ওষুধ সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং অনাহারে মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে একটি সমন্বিত হামলা চালায়, যেখানে ১,১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি লোককে জিম্মি করে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গাজার মানুষ এখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। খাদ্যহীনতা, ওষুধের সংকট এবং নিরাপত্তাহীনতার মাঝে দিন কাটাচ্ছে লাখো নিরীহ মানুষ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন বড় প্রশ্ন এই অবরোধ ও সহিংসতা কবে থামবে?

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে ৫৭ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:১৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ফলে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে। খাদ্য, পানি ও ওষুধবাহী মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলো সীমান্তেই আটকে রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার কারণে এসব সহায়তা এখনও গাজায় প্রবেশ করতে পারেনি।

অন্যদিকে, শনিবার (৩ মে) ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  গাজায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা, মুসলিম দেশগুলোকে পদক্ষেপের আহ্বান খামেনির

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৪৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জন। তবে গাজা গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিস বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষের মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি। তাই প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

মানবিক সহায়তার অপ্রবেশযোগ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাগুলো বলছে, খাদ্য ও ওষুধ সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং অনাহারে মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে একটি সমন্বিত হামলা চালায়, যেখানে ১,১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি লোককে জিম্মি করে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গাজার মানুষ এখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। খাদ্যহীনতা, ওষুধের সংকট এবং নিরাপত্তাহীনতার মাঝে দিন কাটাচ্ছে লাখো নিরীহ মানুষ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন বড় প্রশ্ন এই অবরোধ ও সহিংসতা কবে থামবে?