০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৯

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 104

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় শনিবার একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এই নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জনে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলুর পৃথক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার গাজা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে উঠে এসেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪৯৫ জনে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন ৭৭ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ২৭৫ জন। এ নিয়ে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জনে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকা অনেক আহত ও নিহত ব্যক্তির কাছে এখনও উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। অবরুদ্ধ ও বিধ্বস্ত গাজায় উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছে চিকিৎসাকর্মী ও মানবিক সহায়তাকারীরা।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলের বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হয়, যার পর থেকেই হতাহতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসামগ্রীর তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে এখনও পর্যন্ত সহিংসতা বন্ধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

গাজাবাসীর দুর্দশা দিন দিন বাড়ছেই, আর বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে এক মানবিক সমাধানের আশায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩৯

আপডেট সময় ১০:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

ফিলিস্তিন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় শনিবার একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এই নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জনে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলুর পৃথক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার গাজা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে উঠে এসেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪৯৫ জনে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন ৭৭ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ২৭৫ জন। এ নিয়ে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জনে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকা অনেক আহত ও নিহত ব্যক্তির কাছে এখনও উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। অবরুদ্ধ ও বিধ্বস্ত গাজায় উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছে চিকিৎসাকর্মী ও মানবিক সহায়তাকারীরা।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলের বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হয়, যার পর থেকেই হতাহতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসামগ্রীর তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে এখনও পর্যন্ত সহিংসতা বন্ধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

গাজাবাসীর দুর্দশা দিন দিন বাড়ছেই, আর বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে এক মানবিক সমাধানের আশায়।