ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর ‘আমি এই কাজ করিনি’ হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল ইরান চালু করেছে সর্বোচ্চ মূল্যমানের ১০ মিলিয়ন রিয়াল নোট ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 157

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  ই/স/রা/য়ে/ল আগ্রাসন থামালে আর হামলা নয়: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিম তীর যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ইসরায়েল

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।