দক্ষিণ কোরিয়া ঐতিহ্য আধুনিকতা আর ভ্রমণের গল্প
- আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 89
দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক ও উন্নত দেশ। প্রযুক্তি, সংস্কৃতি আর ইতিহাস এখানে একসঙ্গে মিশে আছে। এই দেশটি পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়, কারণ এখানে যেমন আছে হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস, তেমনি আছে ভবিষ্যতের শহর।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল। এটি দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত শহর। সিউলে গেলে গিয়ংবকগুং প্রাসাদ ঘুরে দেখার সুযোগ আছে। এই প্রাসাদটি জোসন রাজবংশের সময় তৈরি হয়েছিল এবং কোরিয়ার রাজকীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে কোরিয়ার পুরনো জীবনধারা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা যায়।
সিউলের কাছেই অবস্থিত বুকচন হানোক গ্রাম। এই এলাকায় এখনো কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বাড়ি দেখা যায়। পর্যটকরা এখানে হাঁটতে হাঁটতে কোরিয়ার পুরনো সমাজ ও জীবনযাত্রার অনুভূতি নিতে পারেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার আরেকটি জনপ্রিয় শহর বুসান। এটি একটি সমুদ্রবন্দর শহর। এখানে হেয়ুন্দে সমুদ্রসৈকত খুব বিখ্যাত। পর্যটকরা সমুদ্র, পাহাড় আর আধুনিক শহরের মিলিত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। বুসানে জাগালচি ফিশ মার্কেটও পরিচিত, যেখানে কোরিয়ার সামুদ্রিক খাবারের সংস্কৃতি দেখা যায়।
প্রকৃতি ভালোবাসলে জেজু দ্বীপ একটি বিশেষ স্থান। এই দ্বীপটি আগ্নেয়গিরি থেকে তৈরি হয়েছে। এখানে রয়েছে হল্লাসান পর্বত, যা দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে উঁচু পাহাড়। জেজু দ্বীপ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জলপ্রপাত ও শান্ত পরিবেশের জন্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাস শুধু রাজা-রাজড়ার গল্প নয়। কোরিয়ান যুদ্ধ দেশটির ইতিহাসে একটি বড় অধ্যায়। এই যুদ্ধের স্মৃতি জানতে ডিমিলিটারাইজড জোন বা ডিএমজেড এলাকা ভ্রমণ করা যায়, যেখানে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্ত ইতিহাস বোঝা যায়।
সব মিলিয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি আর ভ্রমণের আনন্দ একসাথে পাওয়া যায়। তাই যারা নতুন অভিজ্ঞতা আর ভিন্ন সংস্কৃতি জানতে চান, তাদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া হতে পারে একটি আদর্শ গন্তব্য।






















