ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক কোরবানি হয়নি, তাই এবার বড় গরুর বিক্রি কম: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

 

 

এ বছর দেশে বড় গরুর চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম ছিল, কারণ রাজনৈতিক কোরবানি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  দেশে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

রোববার (১৫ জুন) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “এবার কোরবানির জন্য দেশীয় গরু পর্যাপ্ত ছিল। আমরা বাইরের কোনো গরুর ওপর নির্ভর করিনি। বাজারে যে সংখ্যক পশু প্রস্তুত ছিল, তার চেয়েও কমসংখ্যক পশু কোরবানি হয়েছে। তবে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো এবার বড় গরু কম কেটেছে। যার মানে দাঁড়ায়, রাজনৈতিক কোরবানি কম হয়েছে।”

উপদেষ্টা জানান, এ বছর কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৯৭ লাখ পশু কোরবানি হয়েছে সারাদেশে।

তার মতে, “যতটা পশু প্রস্তুত ছিল, তার তুলনায় কোরবানির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও সার্বিকভাবে আমরা সন্তুষ্ট। আমাদের লক্ষ্য ছিল দেশীয় উৎপাদন দিয়ে চাহিদা পূরণ করা, সেটা সফলভাবে করা গেছে।”

তিনি আরও জানান, কোরবানির ঈদের সময় কোনো ধরনের বড় ধরনের পশু সংকট, রোগ বা ট্রান্সপোর্ট সমস্যার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। খামারি, কৃষক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করায় ঈদের পশুর বাজার ছিল স্থিতিশীল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবেচনায় অনেক ক্ষেত্রে বড় গরু কোরবানি করা হয়। তবে এ বছর রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল অপেক্ষাকৃত শান্ত। ফলে তথাকথিত ‘প্রভাব দেখানোর’ কোরবানি কম হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বড় আকারের গরুর বিক্রিতে।

এদিকে খামারিরা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করলেও সরকার বলছে, তারা ঘরোয়া উৎপাদনকে উৎসাহিত করেই সামনে আরও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে চায়।

সার্বিকভাবে, এই কোরবানির মৌসুমে দেশীয় গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ হয়েছে যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক কোরবানি হয়নি, তাই এবার বড় গরুর বিক্রি কম: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

 

এ বছর দেশে বড় গরুর চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম ছিল, কারণ রাজনৈতিক কোরবানি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আরও পড়ুন  চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উপদেষ্টার ফেরার পর: ভূমি সচিব

রোববার (১৫ জুন) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “এবার কোরবানির জন্য দেশীয় গরু পর্যাপ্ত ছিল। আমরা বাইরের কোনো গরুর ওপর নির্ভর করিনি। বাজারে যে সংখ্যক পশু প্রস্তুত ছিল, তার চেয়েও কমসংখ্যক পশু কোরবানি হয়েছে। তবে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো এবার বড় গরু কম কেটেছে। যার মানে দাঁড়ায়, রাজনৈতিক কোরবানি কম হয়েছে।”

উপদেষ্টা জানান, এ বছর কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৯৭ লাখ পশু কোরবানি হয়েছে সারাদেশে।

তার মতে, “যতটা পশু প্রস্তুত ছিল, তার তুলনায় কোরবানির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও সার্বিকভাবে আমরা সন্তুষ্ট। আমাদের লক্ষ্য ছিল দেশীয় উৎপাদন দিয়ে চাহিদা পূরণ করা, সেটা সফলভাবে করা গেছে।”

তিনি আরও জানান, কোরবানির ঈদের সময় কোনো ধরনের বড় ধরনের পশু সংকট, রোগ বা ট্রান্সপোর্ট সমস্যার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। খামারি, কৃষক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করায় ঈদের পশুর বাজার ছিল স্থিতিশীল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবেচনায় অনেক ক্ষেত্রে বড় গরু কোরবানি করা হয়। তবে এ বছর রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল অপেক্ষাকৃত শান্ত। ফলে তথাকথিত ‘প্রভাব দেখানোর’ কোরবানি কম হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বড় আকারের গরুর বিক্রিতে।

এদিকে খামারিরা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করলেও সরকার বলছে, তারা ঘরোয়া উৎপাদনকে উৎসাহিত করেই সামনে আরও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে চায়।

সার্বিকভাবে, এই কোরবানির মৌসুমে দেশীয় গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ হয়েছে যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।