০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 133

ছবি সংগৃহীত

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।