ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপাল ও বাংলাদেশের জেন-জি রাজনীতির ভিন্নতা পাকিস্তান-মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আজই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলের ‘শক্তিশালী’ হামলা: অচল ৮৫ শতাংশ রপ্তানি সক্ষমতা ১০ বছর পর তনু হত্যায় নতুন মোড়: তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত: পাল্টা ভারতীয় কৃষক আটক সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ: তালিকায় বেক্সিমকো ও এস আলম গ্রুপ শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান নিহত

সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ ও মন্ত্রী ইমরানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 241

ছবি সংগৃহীত

 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথকভাবে আদালতে আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে উভয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন, যাতে করে তারা দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারেন।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, ইমরান আহমেদ নবম থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজের নামে ৯০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেন। তার নামে ৫টি ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার অধিক সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ১১টি ব্যাংক হিসাব এবং ৫টি কার্ড ব্যবহার করে প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন, যা সন্দেহজনক বলে মনে করছে দুদক।

দুদক আরও জানায়, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অবৈধ অর্থ বা সম্পদ তারা বিভিন্নভাবে রূপান্তর, স্থানান্তর এবং হস্তান্তর করেছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে তারা অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন।

তদন্ত চলাকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার স্বার্থে আদালতে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালত সব তথ্য পর্যালোচনা করে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দু’টি মামলাই তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ ও মন্ত্রী ইমরানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৮:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথকভাবে আদালতে আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে উভয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন, যাতে করে তারা দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারেন।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, ইমরান আহমেদ নবম থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজের নামে ৯০ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেন। তার নামে ৫টি ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার অধিক সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ১১টি ব্যাংক হিসাব এবং ৫টি কার্ড ব্যবহার করে প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন, যা সন্দেহজনক বলে মনে করছে দুদক।

দুদক আরও জানায়, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অবৈধ অর্থ বা সম্পদ তারা বিভিন্নভাবে রূপান্তর, স্থানান্তর এবং হস্তান্তর করেছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে তারা অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন।

তদন্ত চলাকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার স্বার্থে আদালতে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালত সব তথ্য পর্যালোচনা করে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বর্তমানে দু’টি মামলাই তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।