আকাশসীমা সংকট: শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল
- আপডেট সময় ০৩:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
- / 19
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি পরবর্তী সময় পর্যন্ত) মোট ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি ও ১৪ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ১৫ মার্চ (০০০০ এলটি-এর পর) আরও ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ২টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১টি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে সীমিত আকারে মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু ফ্লাইট পরিচালিতও হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পিত রয়েছে।
এর মধ্যে মাসকাটগামী ফ্লাইট রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১টি, ১ মার্চ ৪টি, ২ মার্চ ৫টি, ৩ মার্চ ৭টি, ৪ মার্চ ৮টি, ৫ মার্চ ১০টি, ৬ মার্চ ৬টি, ৭ মার্চ ৬টি, ৮ মার্চ ৬টি, ৯ মার্চ ৬টি, ১০ মার্চ ১০টি, ১১ মার্চ ৮টি, ১২ মার্চ ৯টি, ১৩ মার্চ ৩টি, ১৪ মার্চ ৬টি ও ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) ৬টি।
সৌদি আরবগামী ফ্লাইট রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫টি, ১ মার্চ ১৬টি, ২ মার্চ ১৩টি, ৩ মার্চ ১৫টি, ৪ মার্চ ২১টি, ৫ মার্চ ২২টি, ৬ মার্চ ১৫টি, ৭ মার্চ ১৮টি, ৮ মার্চ ১৬টি, ৯ মার্চ ২২টি, ১০ মার্চ ২০টি, ১১ মার্চ ১৮টি, ১২ মার্চ ২৩টি, ১৩ মার্চ ১৫টি, ১৪ মার্চ ১৮টি ও ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) ২১টি।
এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটের মধ্যে বিভিন্ন দিনে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহগামী ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। ১৫ মার্চ (পরিকল্পিত) দিনে ইউএইগামী মোট ২২টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট পরিচালনা ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।























