ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, রাজশাহীতে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রিতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 190

ছবি সংগৃহীত

 

উত্তরাঞ্চলে শীতের দাপট আরও জোরালো হয়েছে। রাজশাহীতে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে জেলায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভোর থেকে হিমেল বাতাসের দাপটে শীতের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আকাশে কুয়াশার ঘনত্ব তুলনামূলক কম থাকলেও ঠান্ডা বাতাসে শরীর কাঁপিয়ে দিচ্ছে। সূর্যোদয়ের স্বাভাবিক সময় পার হলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি, ফলে ঠান্ডার অনুভূতি আরও বেড়েছে।

আরও পড়ুন  দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, ঢাকায় ছুঁইছুঁই ৪০ ডিগ্রি

আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসা এবং রাতের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে।

শীতের কারণে শহর ও গ্রামাঞ্চলে কর্মচাঞ্চল্য কমে গেছে। সকালবেলা রাস্তাঘাট ছিল তুলনামূলক ফাঁকা। আবহাওয়া অফিসের হিসাবে সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ, যার ফলে অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে।

নগরের বিভিন্ন মোড়ে দেখা গেছে শ্রমজীবী মানুষ আগুন জ্বালিয়ে গা গরম করছেন। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

রিকশাচালক আক্কাস আলী বলেন, সকাল আর বিকেলের ঠান্ডা সহ্য করা খুব কষ্টকর। হাত-পা অবশ হয়ে আসে, তবুও সংসারের জন্য রাস্তায় নামতেই হয়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই শীত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, রাজশাহীতে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রিতে

আপডেট সময় ১১:২৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

উত্তরাঞ্চলে শীতের দাপট আরও জোরালো হয়েছে। রাজশাহীতে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে জেলায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভোর থেকে হিমেল বাতাসের দাপটে শীতের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আকাশে কুয়াশার ঘনত্ব তুলনামূলক কম থাকলেও ঠান্ডা বাতাসে শরীর কাঁপিয়ে দিচ্ছে। সূর্যোদয়ের স্বাভাবিক সময় পার হলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি, ফলে ঠান্ডার অনুভূতি আরও বেড়েছে।

আরও পড়ুন  শীত আসছে, চলতি মাসেই বইতে পারে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ

আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসা এবং রাতের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে।

শীতের কারণে শহর ও গ্রামাঞ্চলে কর্মচাঞ্চল্য কমে গেছে। সকালবেলা রাস্তাঘাট ছিল তুলনামূলক ফাঁকা। আবহাওয়া অফিসের হিসাবে সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ, যার ফলে অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে।

নগরের বিভিন্ন মোড়ে দেখা গেছে শ্রমজীবী মানুষ আগুন জ্বালিয়ে গা গরম করছেন। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

রিকশাচালক আক্কাস আলী বলেন, সকাল আর বিকেলের ঠান্ডা সহ্য করা খুব কষ্টকর। হাত-পা অবশ হয়ে আসে, তবুও সংসারের জন্য রাস্তায় নামতেই হয়।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই শীত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।