১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর

গরমে বিদ্যুৎ সংকট: লোডশেডিং নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 120

ছবি সংগৃহীত

 

শীত শেষ হলেও এখনও প্রকৃতিতে শীতল হাওয়ার প্রভাব রয়ে গেছে। তবে ধীরে ধীরে গরম বাড়বে, এবং তাতে বাড়বে বিদ্যুতের চাহিদাও। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, গ্রীষ্মে লোডশেডিং এর শঙ্কা জনগণের মধ্যে দৃঢ় হয়ে উঠেছে।

এবারের গরমে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। যদিও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৭ হাজার মেগাওয়াট, তবুও জ্বালানি সংকট ও বিপুল দায়দেনার কারণে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির বলেন, গ্রীষ্মকালে ৭০০ থেকে ১৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, রমজানে লোডশেডিং এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে, তবে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনায় গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েল এবং ভারতীয় আদানি গ্রুপের উপর নির্ভরশীলতা প্রধান অংশ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পূর্বাভাস দিয়েছে, গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৬২০০ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট এবং আদানি গ্রুপের আমদানির মাধ্যমে কিছুটা চাহিদা পূরণ করা যাবে। তবে, অর্থনৈতিক সংকট এবং গত বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ৭০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, “ডলার সংকটই বড় সমস্যা। ডলার না থাকলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি কেনা সম্ভব হবে না।” বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডলার সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, আর প্রস্তুতি না থাকলে লোডশেডিং এড়ানো কঠিন।

পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, “প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমরা সমস্যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি, এবং আশা করছি বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় হবে না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গরমে বিদ্যুৎ সংকট: লোডশেডিং নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

 

শীত শেষ হলেও এখনও প্রকৃতিতে শীতল হাওয়ার প্রভাব রয়ে গেছে। তবে ধীরে ধীরে গরম বাড়বে, এবং তাতে বাড়বে বিদ্যুতের চাহিদাও। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, গ্রীষ্মে লোডশেডিং এর শঙ্কা জনগণের মধ্যে দৃঢ় হয়ে উঠেছে।

এবারের গরমে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। যদিও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৭ হাজার মেগাওয়াট, তবুও জ্বালানি সংকট ও বিপুল দায়দেনার কারণে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির বলেন, গ্রীষ্মকালে ৭০০ থেকে ১৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, রমজানে লোডশেডিং এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে, তবে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনায় গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েল এবং ভারতীয় আদানি গ্রুপের উপর নির্ভরশীলতা প্রধান অংশ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পূর্বাভাস দিয়েছে, গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৬২০০ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট এবং আদানি গ্রুপের আমদানির মাধ্যমে কিছুটা চাহিদা পূরণ করা যাবে। তবে, অর্থনৈতিক সংকট এবং গত বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ৭০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, “ডলার সংকটই বড় সমস্যা। ডলার না থাকলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি কেনা সম্ভব হবে না।” বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডলার সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, আর প্রস্তুতি না থাকলে লোডশেডিং এড়ানো কঠিন।

পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, “প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমরা সমস্যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি, এবং আশা করছি বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় হবে না।