ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে আয়ারল্যান্ড — বাংলাদেশ রয়েছে কোন অবস্থানে?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 150

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তকমা এবার জুটেছে ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র আয়ারল্যান্ডের কপালে। আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা নোমাড ক্যাপিটালিস্ট প্রকাশিত হালনাগাদ সূচকে আয়ারল্যান্ড প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
বিশ্বের ২০০টি দেশের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা, বিদেশে কর নীতিমালা, দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার মতো পাঁচটি মূল সূচক বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  কৃষি ও গবেষণায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা আহ্বান চীনের

আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ১৭৬টি দেশে ভিসা ছাড়া কিংবা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। দেশটির মোট স্কোর ১০৯। দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে সুইজারল্যান্ড ও গ্রীস, স্কোর ১০৮.৫।

তবে এই তালিকার তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। ১৮১তম স্থানে থাকা বাংলাদেশের স্কোর মাত্র ৩৯। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা মাত্র ৫০টি দেশে বিনা ভিসায় কিংবা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় প্রবেশ করতে পারেন।
বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে নেপাল (স্কোর ৩৯.৫) এবং পরে আছে মিয়ানমার (স্কোর ৩৭.৫)। প্রতিবেশী ভারত রয়েছে ১৪৮তম স্থানে (স্কোর ৪৭.৫), আর পাকিস্তানের অবস্থান আরও নিচে ১৯৫তম (স্কোর ৩২)।

অন্যদিকে, আগে যিনি শীর্ষে ছিলেন, সেই সংযুক্ত আরব আমিরাত এবার নেমে গেছে দশম স্থানে (স্কোর ১০৬.৫)। তবে তাদের পাসপোর্টধারীরা এখনও ১৭৯টি দেশে বিনা ভিসায় বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন যা সংখ্যা অনুযায়ী আয়ারল্যান্ডের চেয়েও বেশি।

এই সূচক আমাদের কেবল ভ্রমণ-সুবিধার ধারণা দেয় না, বরং একটি দেশের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও নাগরিক স্বাধীনতার প্রতিফলন ঘটায়।

বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে হলে, বাংলাদেশকেও আরও সুসংগঠিত কূটনীতি, উন্নত করব্যবস্থা ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে নইলে ভিসার শৃঙ্খলে আটকে থেকেই যাবে আমাদের গতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে আয়ারল্যান্ড — বাংলাদেশ রয়েছে কোন অবস্থানে?

আপডেট সময় ০২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তকমা এবার জুটেছে ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র আয়ারল্যান্ডের কপালে। আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা নোমাড ক্যাপিটালিস্ট প্রকাশিত হালনাগাদ সূচকে আয়ারল্যান্ড প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
বিশ্বের ২০০টি দেশের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা, বিদেশে কর নীতিমালা, দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার মতো পাঁচটি মূল সূচক বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  কৃষি ও গবেষণায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা আহ্বান চীনের

আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ১৭৬টি দেশে ভিসা ছাড়া কিংবা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন। দেশটির মোট স্কোর ১০৯। দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে সুইজারল্যান্ড ও গ্রীস, স্কোর ১০৮.৫।

তবে এই তালিকার তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। ১৮১তম স্থানে থাকা বাংলাদেশের স্কোর মাত্র ৩৯। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা মাত্র ৫০টি দেশে বিনা ভিসায় কিংবা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় প্রবেশ করতে পারেন।
বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে নেপাল (স্কোর ৩৯.৫) এবং পরে আছে মিয়ানমার (স্কোর ৩৭.৫)। প্রতিবেশী ভারত রয়েছে ১৪৮তম স্থানে (স্কোর ৪৭.৫), আর পাকিস্তানের অবস্থান আরও নিচে ১৯৫তম (স্কোর ৩২)।

অন্যদিকে, আগে যিনি শীর্ষে ছিলেন, সেই সংযুক্ত আরব আমিরাত এবার নেমে গেছে দশম স্থানে (স্কোর ১০৬.৫)। তবে তাদের পাসপোর্টধারীরা এখনও ১৭৯টি দেশে বিনা ভিসায় বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় ভ্রমণ করতে পারেন যা সংখ্যা অনুযায়ী আয়ারল্যান্ডের চেয়েও বেশি।

এই সূচক আমাদের কেবল ভ্রমণ-সুবিধার ধারণা দেয় না, বরং একটি দেশের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও নাগরিক স্বাধীনতার প্রতিফলন ঘটায়।

বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে হলে, বাংলাদেশকেও আরও সুসংগঠিত কূটনীতি, উন্নত করব্যবস্থা ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে নইলে ভিসার শৃঙ্খলে আটকে থেকেই যাবে আমাদের গতি।