০১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার পক্ষে ট্রাম্প দূতের মন্তব্য, ব্রিটিশ উদ্যোগকে ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্ট’ বললেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 100

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশংসা করেছেন এবং ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বের কৌশলগত অবস্থানকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন। প্রভাবশালী সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি পুতিনকে খারাপ মানুষ মনে করি না। বরং তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান, সোজাসাপ্টা এবং দয়ালু।”

ইউক্রেনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। কিন্তু এই উদ্যোগকে উইটকফ এক কথায় ‘লোক-দেখানো’ বলে উড়িয়ে দেন। তার মতে, স্টারমার এবং ইউরোপীয় নেতারা আজ উইনস্টন চার্চিলের ভূমিকায় অভিনয় করার চেষ্টা করছেন, যা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।

বিজ্ঞাপন

উইটকফ বলেন, “রাশিয়া ইউরোপ আক্রমণ করতে যাচ্ছে এ ধারণা সরলীকৃত এবং বিভ্রান্তিকর। ন্যাটো এখন এক শক্তিশালী জোট, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিল না।”

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ডনবাস, লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া, খেরসন ও ক্রিমিয়া এই পাঁচটি অঞ্চল ইতিমধ্যে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। রুশদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী এগুলো এখন রাশিয়ার অংশ। মূল প্রশ্ন হলো বিশ্ব এই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দেবে কি না।”

উইটকফ আরও বলেন, “রাশিয়ার মতে, ইউক্রেন একটি কৃত্রিম রাষ্ট্র, বিভিন্ন অঞ্চল জোড়া দিয়ে গঠিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া এই অঞ্চলগুলো নিজের বলে দাবি করে আসছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল তা অগ্রাহ্য করছে।”

পুতিন দাবি করেছেন, ন্যাটোর সম্প্রসারণ এবং স্বাধীন ইউক্রেনের অস্তিত্বই রাশিয়ার আগ্রাসনের মূল কারণ। উইটকফের মতে, “রাশিয়া যা চেয়েছিল, তা তারা পেয়ে গেছে। এখন ইউক্রেন দখলের আর কোনো প্রয়োজন নেই।”

বিশ্লেষকদের মতে, উইটকফের এই বক্তব্য শুধু যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার অবস্থানকে ঘিরেও নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার পক্ষে ট্রাম্প দূতের মন্তব্য, ব্রিটিশ উদ্যোগকে ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্ট’ বললেন

আপডেট সময় ১০:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশংসা করেছেন এবং ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বের কৌশলগত অবস্থানকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন। প্রভাবশালী সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি পুতিনকে খারাপ মানুষ মনে করি না। বরং তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান, সোজাসাপ্টা এবং দয়ালু।”

ইউক্রেনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। কিন্তু এই উদ্যোগকে উইটকফ এক কথায় ‘লোক-দেখানো’ বলে উড়িয়ে দেন। তার মতে, স্টারমার এবং ইউরোপীয় নেতারা আজ উইনস্টন চার্চিলের ভূমিকায় অভিনয় করার চেষ্টা করছেন, যা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।

বিজ্ঞাপন

উইটকফ বলেন, “রাশিয়া ইউরোপ আক্রমণ করতে যাচ্ছে এ ধারণা সরলীকৃত এবং বিভ্রান্তিকর। ন্যাটো এখন এক শক্তিশালী জোট, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিল না।”

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ডনবাস, লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া, খেরসন ও ক্রিমিয়া এই পাঁচটি অঞ্চল ইতিমধ্যে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। রুশদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী এগুলো এখন রাশিয়ার অংশ। মূল প্রশ্ন হলো বিশ্ব এই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দেবে কি না।”

উইটকফ আরও বলেন, “রাশিয়ার মতে, ইউক্রেন একটি কৃত্রিম রাষ্ট্র, বিভিন্ন অঞ্চল জোড়া দিয়ে গঠিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া এই অঞ্চলগুলো নিজের বলে দাবি করে আসছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল তা অগ্রাহ্য করছে।”

পুতিন দাবি করেছেন, ন্যাটোর সম্প্রসারণ এবং স্বাধীন ইউক্রেনের অস্তিত্বই রাশিয়ার আগ্রাসনের মূল কারণ। উইটকফের মতে, “রাশিয়া যা চেয়েছিল, তা তারা পেয়ে গেছে। এখন ইউক্রেন দখলের আর কোনো প্রয়োজন নেই।”

বিশ্লেষকদের মতে, উইটকফের এই বক্তব্য শুধু যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার অবস্থানকে ঘিরেও নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।