ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 388

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধে ইসরায়েলের পদক্ষেপে আরব বিশ্বের তিব্র নিন্দা

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের স্থল অভিযান, হামাসকে হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের- নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ

আপডেট সময় ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আবারও নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে দখলদারিত্ব বাড়াতে সেনাবাহিনীকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একই সঙ্গে, হামাসকে শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার অংশবিশেষ ‘চিরতরে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “জীবিত ও মৃত সব জিম্মির প্রত্যাবর্তন না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান আরও তীব্র হবে। হামাস যতবার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে, ততবারই তারা নতুন নতুন এলাকা হারাবে।”

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত অন্তত ৬

তিনি জানান, আকাশপথ, সমুদ্রপথ এবং স্থলপথে একযোগে হামলার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাটজ আরও বলেন, “এই লড়াই চলবে যতক্ষণ না হামাসকে পরাজিত করা যায় এবং জিম্মিরা ঘরে ফেরে।”

বর্তমানে গাজায় অন্তত ৫৯ জন জিম্মি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪ জন এখনো জীবিত এমনটাই বিশ্বাস করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি তিন ধাপের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। যদিও প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজার পরিস্থিতি।

নতুন করে শুরু হওয়া এই অভিযান গাজায় মানবিক সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের লক্ষ্য ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত’ এবং ‘জিম্মিদের উদ্ধার’। অপরদিকে হামাস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।