ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাফেজ্জী হুজুরের ছোট সাহেবজাদা আল্লামা আতাউল্লাহ ইন্তেকাল হাসিনার প্রত্যর্পণসহ যেসব বিষয় আলোচনা হলো ড. ইউনূস-মোদির রাত থেকে বন্ধ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা মার্কিন শেয়ারবাজারে আজ প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ উধাও থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বকাপের ৬৪ দলের প্রস্তাব: সমালোচনায় মুখর সাবেক তারকা তুরস্ক-গ্রিস উপকূলে শরণার্থীর নৌকাডুবি: অন্তত ১৬ জন নিহত নগরকান্দায় নিখোঁজের একদিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য রুদ্ধদ্বার প্রস্তুতি সারবে ভারত

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমানসহ আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

খবরের কথা ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আদালতে এ সংক্রান্ত শুনানি আজই হতে পারে বলে জানা গেছে।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলার সকল আসামিকে খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের আইনজীবীরা আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং অবশেষে রাষ্ট্রপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল দায়ের করল।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৪ জন নিহত হন এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হন। তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। হামলার পর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আলোচিত অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার একটি আদালত এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন। বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানায়, বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় অবৈধ উপায়ে ঘোষিত হয়েছে, যার ফলে তা বাতিল করা হয় এবং আসামিদের খালাস দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এই রায় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। আওয়ামী লীগসহ সরকারি দল এ রায়ের বিরুদ্ধে আপত্তি জানায় এবং এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের ফলে মামলাটি আবার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। আজকের শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ আদালতে চূড়ান্ত রায়ের ওপর নির্ভর করবে মামলার ভবিষ্যৎ গতিপথ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
৫১৮ বার পড়া হয়েছে

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমানসহ আসামিদের খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

আপডেট সময় ১২:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আদালতে এ সংক্রান্ত শুনানি আজই হতে পারে বলে জানা গেছে।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলার সকল আসামিকে খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের আইনজীবীরা আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং অবশেষে রাষ্ট্রপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল দায়ের করল।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৪ জন নিহত হন এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হন। তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। হামলার পর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আলোচিত অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার একটি আদালত এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন। বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানায়, বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় অবৈধ উপায়ে ঘোষিত হয়েছে, যার ফলে তা বাতিল করা হয় এবং আসামিদের খালাস দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এই রায় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। আওয়ামী লীগসহ সরকারি দল এ রায়ের বিরুদ্ধে আপত্তি জানায় এবং এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের ফলে মামলাটি আবার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। আজকের শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ আদালতে চূড়ান্ত রায়ের ওপর নির্ভর করবে মামলার ভবিষ্যৎ গতিপথ।