০১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইয়েমেনে নিহত ৩১, হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান রাশিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
  • / 74

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩১ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে। রাশিয়া এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

মার্কিন হামলার পরই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সকল পক্ষকে সংলাপে আসার আহ্বান জানান। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ল্যাভরভ স্পষ্টভাবে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ হুতিদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি লেখেন, “তোমাদের সময় শেষ, আজ থেকেই হামলা বন্ধ করতে হবে। যদি না করো, তাহলে তোমাদের ওপর নরকের আগুন ঝরবে, যা আগে কখনো দেখোনি।” এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এটি হুতিদের ওপর সবচেয়ে বড় সামরিক আক্রমণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রোববার হুতি পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, মার্কিন হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং ১০১ জন আহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হুতিদের রাজনৈতিক ব্যুরো এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে জানায়, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” হুতিদের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপেরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্বেগের মধ্যেই ইয়েমেনের এই সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইয়েমেনে নিহত ৩১, হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান রাশিয়ার

আপডেট সময় ০৪:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩১ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে। রাশিয়া এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

মার্কিন হামলার পরই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সকল পক্ষকে সংলাপে আসার আহ্বান জানান। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ল্যাভরভ স্পষ্টভাবে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ হুতিদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি লেখেন, “তোমাদের সময় শেষ, আজ থেকেই হামলা বন্ধ করতে হবে। যদি না করো, তাহলে তোমাদের ওপর নরকের আগুন ঝরবে, যা আগে কখনো দেখোনি।” এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এটি হুতিদের ওপর সবচেয়ে বড় সামরিক আক্রমণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রোববার হুতি পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, মার্কিন হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং ১০১ জন আহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হুতিদের রাজনৈতিক ব্যুরো এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে জানায়, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” হুতিদের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপেরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্বেগের মধ্যেই ইয়েমেনের এই সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।