ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

সংবিধান সংস্কারে গণপরিষদের দাবি, রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • / 394

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার একমাত্র গণপরিষদের মাধ্যমেই করা উচিত, অন্যথায় তা টেকসই হবে না। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  “শিবিরের নির্দেশে কাজ করিনি, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার” — নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত হয়েছে, তাই এই সময়েই মৌলিক সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে একমত হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংসদে সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করলে তা টেকসই হবে না। এর জন্য গণপরিষদই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। জাতিসংঘ মহাসচিবও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচনকে একটি সংস্কার প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখি। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন ফলপ্রসূ হবে না। সব রাজনৈতিক দলই সংস্কারের বিষয়ে একমত, তবে মতপার্থক্য রয়েছে কোন সংস্কার আগে হবে, কোনটি পরে। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে এই মতপার্থক্য দূর হবে।”

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্পন্ন হবে, তত দ্রুত গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবিধান সংস্কারে গণপরিষদের দাবি, রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার একমাত্র গণপরিষদের মাধ্যমেই করা উচিত, অন্যথায় তা টেকসই হবে না। তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

শনিবার (১৫ মার্চ) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্টের পতন ঘটলেও ফ্যাসিস্টিক ব্যবস্থা এখনও বিদ্যমান: নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত হয়েছে, তাই এই সময়েই মৌলিক সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে একমত হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সংসদে সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করলে তা টেকসই হবে না। এর জন্য গণপরিষদই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। জাতিসংঘ মহাসচিবও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচনকে একটি সংস্কার প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখি। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন ফলপ্রসূ হবে না। সব রাজনৈতিক দলই সংস্কারের বিষয়ে একমত, তবে মতপার্থক্য রয়েছে কোন সংস্কার আগে হবে, কোনটি পরে। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে এই মতপার্থক্য দূর হবে।”

বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্পন্ন হবে, তত দ্রুত গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।