ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

আছিয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি কার্যকর করে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক: হাসনাত-সারজিস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 155

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরায় নির্যাতিত শিশু আছিয়া আর বেঁচে নেই। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আছিয়ার মৃত্যুর খবরে সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ স্যোশাল মিডিয়ায় ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছেন।

নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুর খবরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তাদের ফেসবুক পেজে একই স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা লিখেছেন, “আমাদের বোন আছিয়া আর নেই। আছিয়ার ধর্ষণের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষকদের শাস্তির একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হোক।”

আরও পড়ুন  ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের উত্তাল বিক্ষোভ

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ জানান। তারা আরও বলেন, “বিচারের নামে যে ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে, আছিয়ার ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে সেই বিচার ব্যবস্থা আবার প্রাণ ফিরে পাক। আমরা পুরো দেশ আছিয়ার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, লজ্জিত।”

এদিকে, শিশুটির মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি আসামিদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা সবার জন্য গভীর চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচই মার্চ মাগুরার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আছিয়া ধর্ষণের শিকার হয়। এ বিষয়ে শিশুটির মা মামলা করলে, পুলিশ শ্বশুর, ভাশুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করছে।

দেশবাসীর একত্রিত প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে, যাতে এই ধরনের পৈশাচিকতা আর কখনও ঘটে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আছিয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি কার্যকর করে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক: হাসনাত-সারজিস

আপডেট সময় ০৮:২৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরায় নির্যাতিত শিশু আছিয়া আর বেঁচে নেই। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আছিয়ার মৃত্যুর খবরে সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ স্যোশাল মিডিয়ায় ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছেন।

নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুর খবরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তাদের ফেসবুক পেজে একই স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তারা লিখেছেন, “আমাদের বোন আছিয়া আর নেই। আছিয়ার ধর্ষণের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষকদের শাস্তির একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হোক।”

আরও পড়ুন  ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ জানান। তারা আরও বলেন, “বিচারের নামে যে ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে, আছিয়ার ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে সেই বিচার ব্যবস্থা আবার প্রাণ ফিরে পাক। আমরা পুরো দেশ আছিয়ার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, লজ্জিত।”

এদিকে, শিশুটির মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি আসামিদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, যা সবার জন্য গভীর চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচই মার্চ মাগুরার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আছিয়া ধর্ষণের শিকার হয়। এ বিষয়ে শিশুটির মা মামলা করলে, পুলিশ শ্বশুর, ভাশুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত করছে।

দেশবাসীর একত্রিত প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে, যাতে এই ধরনের পৈশাচিকতা আর কখনও ঘটে না।